হটলাইন:  01740-486123 (10:00am - 7:00pm)

বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ডাক্তার এপয়েন্টমেন্ট প্লাটফর্মে আপনাকে স্বাগতম । Welcome to The Most Popular Doctor Appointment Platform in Bangladesh.     

All Posts

  • ICU Hospital in Dhaka

    ICU Hospital in Dhaka

    ICU is an Intensive Care Unit that provides all kinds of essential services to patients who are suffering from life-threatening illnesses. Conditions that require immediate care, intensive monitoring by life-saving devices, and life-saving medications to manage the patient's normal physiological activities.

    If the patient's condition continues to deteriorate, the patient is transferred directly to the ICU. At present almost every hospital has an ICU facility. Where patients are provided with all the facilities so that their deteriorating health can be improved as soon as possible. If a person has to undergo a major operation or surgery, he is kept in the ICU ward on the advice of a doctor.

    Mirpur General Hospital

    Address: House-24, Road-8, Block-A, Mirpur-12 Bus Stand, Dhaka-1216.
    Hours: Open 24 Hours
    Phone: 01740-486123


    Delta Health Care Mirpur Ltd

    Address: 11, Central Mosque, Bus Stand Mirpur, Dhaka 1216
    Hours: Open 24 hours
    Phone: 01740-486123


    Al Helal Specialized Hospital Dhaka

    Address: 150, Begum Rokeya Sarani, Mirpur-10, Dhaka
    Hours: Open 24 hours
    Phone: 01740-486123


    Dhaka Health Care Hospital

    Address: Q999+CG7, Dhaka
    Hours: Open 24 hours
    Phone: 01740-486123


    New Life Hospital Limited

    Address: Green Garden Tower, 25/A Green Rd, Dhaka 1205
    Hours: Open 24 hours
    Phone: 01740-486123


    Madina Medical & Diagnostic Center

    Address: 34 Doyagonj New Rd, Dhaka 1204
    Hours: Open 24 hours
    Phone: 01740-486123


    Shin Shin Japan Hospital

    Address: 17 Gareeb-e-Nawaz Ave, Dhaka 1230
    Hours: Open 24 hours
    Phone: 01740-486123


    People's Hospital Limited, Dhaka

    Address: 5-B, Malibagh, Chowdhurypara, Dhaka - 1219
    Hours: Open 24 hours
    Phone: 01740-486123

  • কিডনিতে পাথর হওয়ার কারণ, লক্ষণ ও প্রতিকার, Kidney Stone

    কিডনিতে পাথর হওয়ার কারণ, লক্ষণ ও প্রতিকার

    আমরা আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অনিয়মিত কিছু খাদ্যাভাসের জন্য নিজেরাই নিজেদের অজান্তেই রোগ বাধিয়ে নেই। অস্বাস্থ্যকর খাবার, অনিয়মিত ঘুম ও শরীর চর্চার অভাবে অনেক সময় আমরা জটিল রোগের সম্মুখীন হই। 

    বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনের সাধারণ কিছু সমস্যার মতই কিডনিতে পাথর হওয়া যুক্ত হয়েছে। চারপাশের কেউ না কেউ এই সমস্যায় ভুক্তভোগী। নারী পুরুষ উভয়ই এ সমস্যায় আক্রান্ত হয়ে থাকেন এবং যার সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে।

    কিডনির ভেতরে মিনারেল জমে ক্রিস্টাল বা স্ফটিকের মতো পদার্থ তৈরি করে যাকে আমরা কিডনিতে পাথর বলে জানি। অর্থাৎ ক্যালসিয়াম ও অক্সালেটের ডিপোজিশন হলে এই রোগের উৎপত্তি হয় যা কিডনিকে ক্ষতিগ্রস্ত করে থাকে।

    চিকিৎসা না করলে ধীরে ধীরে কিডনির কার্যক্ষমতা কমতে থাকে এবং একসময় একেবারেই অকার্যকর হয়ে যেতে পারে। কিডনির কার্যক্ষমতা কমতে থাকা নির্ভর করে কিডনিতে পাথরের ধরন, অবস্থান, আকৃতি উপর এবং পরবর্তীতে সঠিক চিকিৎসা ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর। অনেক সময় রোগীর মৃত্যুর কারণও হয়ে দাঁড়ায় এই পাথর।

    আরও বিস্তারিত জানতে এবং সরাসরি ডাক্তারের পরামর্শের জন্য কল করুন - ০১৭৪০-৪৮৬১২৩

    আমাদের শরীরের রক্ত পরিশোধনের অঙ্গ হলো এই কিডনি। শরীরে জমে থাকা অনেক রকম বর্জ্যও পরিশোধিত হয় কিডনির মাধ্যমেই। তাই কিডনি ভাল রাখতে আমাদের কিছু নিয়ম অবশ্যই মেনে চলা উচিৎ। তাহলে আসুন জেনে নেই কিডনিতে পাথর হওয়ার কারণ এবং প্রতিকারে করণীয়তা নিয়ে কিছু জরুরি তথ্য -

    সাধারণত আমরা কিডনির খেয়াল রাখা বা যত্ন নেয়া বলতে শরীরের চাহিদা অনুযায়ী পানি পান, মূত্রজনিত কোনো সমস্যা হচ্ছে কি না সে খেয়াল রাখা কিংবা তলপেটে বা কোমরে একটানা ব্যথা থাকলে তা নিয়ে সতর্ক থাকা এতটুকুই জানি।

    কিন্তু কিডনির নানা সমস্যা বিশেষ করে রেনাল স্টোনে আক্রান্ত হওয়া মানুষের সংখ্যা নেহাত কম নয়। আধুনিক জীবনযাপন, অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস ইত্যাদি রেনাল স্টোনের অন্যতম কারণ।

    পাথর নানা আকারের হয়ে থাকে। সাধারণত, পাথরের সংখ্যা কম ও আকার খুব ছোট হলে তা কোনো রকম উপসর্গ ছাড়াই শরীরে থেকে যেতে পারে। ঔষুধের মাধ্যমে তা গলিয়ে দেয়া বা শরীরের বাইরে বের করে দেয়ার চেষ্টাও করা হয়। কিন্তু সংখ্যায় বেশি বা আকারে বড় হলে তা কিছু লক্ষণ প্রকাশ করে  এবং অস্ত্রোপচারের প্রয়োজনও হয়ে থাকে।

    কিডনিতে পাথর সার্জারী এর অত্যাধুনিক চিকিৎসা সম্পর্কে ফ্রী পরামর্শ পেতে "সিরিয়াল বুক করুন"

    কিডনির পাথর হওয়ার কারণঃ

    কিডনিতে পাথর তৈরির কারণ জানার জন্য অনেক গবেষণা হয়েছে এবং আজও চলছে কিন্তু কিডনিতে পাথর জমা হওয়া বা তৈরি হওয়ার প্রকৃত কারণ এখনও জানা যায়নি। তবে কিছু কিছু বিষয় রয়েছে যা কিডনিতে পাথর তৈরির কারণ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। যেমন -

    • খাবারে অধিক লবণ।
    • দৈনিক অল্প পানি পান।
    • কম ফলফলাদি ও শাকসবজি খাওয়া।
    • বেশি বা খুব কম ক্যালসিয়ামযুক্ত খাবার খাওয়া।
    • কিডনিতে বারবার সংক্রমণ এবং যথোপযুক্ত চিকিৎসা গ্রহণ না করা।
    • যারা ক্যালসিয়াম জাতীয় ট্যাবলেট প্রচুর পরিমাণে খেয়ে থাকে তাদেরও পাথর হওয়ার আশঙ্কা বেশি।
    • যেসব লোকের ইনফ্লামেটরি বাওয়েল রোগ থাকে, তাদের কিডনির রোগ হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে।
    • কিডনিতে পাথর হওয়ার অন্যতম কারণ হলো লাল মাংস যেমন-গরু ও খাসির মাংস এবং পোলট্রির মাংস বেশি বেশি খাওয়া।
    • অনিয়ন্ত্রিত উচ্চরক্তচাপ অথবা মূত্রাশয়ে প্রদাহ কিংবা বাতের ব্যথার উপযুক্ত চিকিৎসা না করালে কিডনিতে পাথর হতে পারে।
    • টপিরামেট জাতীয় (এটা টোপাম্যাক্স হিসেবে পাওয়া যায়) ওষুধ কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি বাড়ায়। এগুলো সাধারণত মাইগ্রেনের রোগে ব্যবহার করা হয়।
    • অতিরিক্ত অক্সালেট জাতীয় শাকসবজি যেমন- পুঁই শাক, পালং শাক, বিট ইত্যাদি বেশি পরিমাণে খেলে কিডনিতে পাথর হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তবে পরিমিত পরিমাণে খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ভালো।

    কিডনিতে পাথর হওয়ার উপসর্গঃ

    অধিকাংশ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের উপসর্গ না-ও থাকতে পারে। তবে-

    • কাঁপুনি দিয়ে জ্বর।
    • ঘোলাটে এবং দূর্গন্ধযুক্ত প্রস্রাব।
    • ব্যথার সাথে সাথে বমি বমি ভাব বা বমি হতে পারে।
    • মাঝে মাঝে প্রস্রাবের সঙ্গে ছোট ছোট পাথর যেতে পারে।
    • রক্তবর্ণের লাল প্রস্রাব, ব্যথা, জ্বালাপোড়া থাকতে পারে।
    • ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া বা অল্প একটু প্রস্রাব হয়েই আর না হওয়া।
    • হঠাৎ তলপেটে বা পেটের নিচের দিকের দুই পাশে বা কোমরে তীব্র ব্যথা হওয়া।

    কিডনির অবস্থানে (কোমরের পিছন দিকে) ব্যথা। এই ব্যথা তীব্র তবে সাধারণত খুব বেশি ক্ষণ স্থায়ী হয় না। ব্যথা কিডনির অবস্থান থেকে তলপেটেও ছড়িয়ে পড়তে পারে। তবে আকস্মিকভাবে পেট বা পিঠে ব্যথা অনুভব করা কিংবা প্রস্রাবের সময় ব্যথা অনুভব করা মানেই কিডনিতে পাথরের লক্ষণ নয়, তবে এসব ক্ষেত্রে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নেয়া প্রয়োজন, কারণ হতে পারে এটি মারাত্নক কোন রোগের লক্ষণ। এসব উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন এবং পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন আসলেই কিডনিতে পাথরের জন্য এমন হচ্ছে কিনা।

    কিডনিতে পাথরের চিকিত্‍সাঃ

    কিডনির অবস্থানে ব্যথা এবং রক্তবর্ণের প্রসাব হলে চিকিৎসকরা সাধারণত দুটো সম্ভাবনার কথা চিন্তা করেন। একটি হল কিডনির ইনফেকশন, অন্যটি কিডনিতে পাথর। তাই কিডনির এক্সরে, আলট্রা সনোগ্রাম এবং প্রসাবের নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরই উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

    কখনও পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি আর যথাযথ ওষুধ খেলেই এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে অস্ত্রপচারই একমাত্র উপায়। কিডনিতে পাথর হলেই অপারেশন করতে হয় এমন ধারণা ঠিক নয়। চিকিৎসা নির্ভর করে পাথরের অবস্থান, আকার, ধরন, কিডনির কার্যকারিতা এবং প্রস্রাবের পথে প্রতিবন্ধকতার ওপর।

    কিডনিতে পাথর সার্জারী এর অত্যাধুনিক চিকিৎসা সম্পর্কে ফ্রী পরামর্শ পেতে "সিরিয়াল বুক করুন"

    ছোট অবস্থায় ধরা পড়লে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যথানাশক ওষুধ সেবন এবং পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করার মাধ্যমে এই সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পাওয়া সম্ভব, কারণ ছোট আকৃতির পাথর  সাধারণত প্রস্রাবের সাথে বের হয়ে যায়। 

    কিছু ক্ষেত্রে পাথর অপসারণের জন্য অস্ত্রোপচার বা যন্ত্রের মাধ্যমে পাথর ভেঙে বের করা হয়। কিছু ক্ষেত্রে অস্ত্রোপচার না করে ওষুধ সেবন করার মাধ্যমে পাথর বের করা বা পাথর আর বড় না হওয়ার ব্যবস্থা করা যেতে পারে।

    অস্ত্রোপচারের পরও আবার পাথর হতে পারে। সে ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদী ওষুধ সেবন করলে সুফল পাওয়া যেতে পারে। মনে রাখা প্রয়োজন, দৈনিক ৮-১০ গ্লাস বিশুদ্ধ পানি পান করলে শরীর থেকে উপযুক্ত পরিমাণে বর্জ্য পদার্থ প্রস্রাবের সাথে বের হয়ে যায় এবং কিডনিতে পাথরের ঝুঁকি এবং জটিলতা কে কমিয়ে আনে।

    উপসংহারঃ

    অনেক রোগীই ওষুধ চান, যা খেলে পাথর গলে বের হয়ে যাবে। সত্যিকার অর্থে এমন কোনো কার্যকরী ওষুধই নেই। তাই একবার পাথর হলে, ছোট অবস্থায় তা নিজেই বের হয়ে যেতে পারে, অন্যথায় অপারেশনের মাধ্যমে তাকে বের করে ফেলতে হবে। কিডনির ভেতর পাথর থাকলে কিডনির ক্ষতি হয়। পাথর যাতে কিডনিতে না হতে পারে সে ব্যবস্থা নেওয়া অত্যাবশ্যক। 

    পাথর যদি একের অধিক হয়ে থাকে এবং তা কিডনির গভীরে থাকে বা কিডনিতে পাথর কোন ধরনের চাপ সৃষ্টি না করে সেসব ক্ষেত্রে কী ধরনের চিকিৎসা রোগীর জন্য উপকারী হবে তা বিশেষজ্ঞ ডাক্তারই বলতে পারবেন। তাই যে কোন সমস্যাতেই হাতুড়ে কবিরাজের পরামর্শমত আজেবাজে চিকিৎসা করিয়ে নিজের ক্ষতি ডেকে আনবেন না। সময় থাকতে সচেতন হোন, সুস্থ থাকুন।

    আরও বিস্তারিত জানতে এবং সরাসরি ডাক্তারের পরামর্শের জন্য কল করুন - ০১৭৪০-৪৮৬১২৩

  • হার্নিয়া কি, কারণ, লক্ষন ও চিকিৎসা

    হার্নিয়া কি, হার্নিয়া কারণ, লক্ষন ও চিকিৎসা

    আমাদের শরীরে কিছু টিস্যু আছে যেগুলো আশে পাশের অন্য টিস্যুর থেকে অপেক্ষাকৃত দুর্বল হয়ে থাকে৷ যখন শরীরের সেই অংশ গুলোতে ভেতরের চাপ বেশি হয়, যেমন- অনেক দিনের পুরানো হাঁচি, কাশি বা কোষ্ঠকাঠিন্যের ফলে শক্তিশালী টিস্যুগুলো অপেক্ষাকৃত দুর্বল টিস্যু গুলোকে ভেদ করে বেরিয়ে আসে তখন সেই অবস্থাকে হার্নিয়া বলা হয়।

    এটি স্ত্রী-পুরুষ এমনকি বাচ্চাদেরও হয়ে থাকে। তবে এ রোগে স্থূলকার ব্যক্তিদের আক্রান্ত হতে বেশি দেখা যায়। সাধারণত অন্ত্র বা উদরকে ঘিরে থাকা পেরিটোনিয়াম উদরের দেওয়ালের কোন ছিদ্র দিয়ে বাইরে বেড়িয়ে আসে তখন হার্নিয়া হয়ে থাকে। বেড়িয়ে আসা অংশটিকে বলা হয় হার্নিয়া স্যাক। এর মাঝে অন্ত্রের অংশ, পেরিটোনিয়াম (উদরের বাইরের দেওয়াল), পাকস্থলী অথবা পেটের চর্বি থাকতে পারে। এটাকে বাইরে থেকে দেখতে একটি স্ফীতির মত মনে হয়।

    সব চেয়ে সাধারণ প্রকারের হার্নিয়া হচ্ছে ইঙ্গুইনাল হার্নিয়াস যা পরোক্ষ ভাবে কুঁচকি'র সাথে সম্প্রীত, অস্ত্রোপচারের পরে পেটে একটি কাটা অথবা দাগ যা ইনসিশানাল বা ভেন্ট্রাল নামে পরিচিত, থাই'এর উপর দিকে বা কুঁচকি'র বাইরের দিকে থাকা ফিমোরাল, নাভির কাছে থাকা আমবিলিক্যাল এবং ডায়াফ্রাম বা পাকস্থলীর উপর দিকে থাকা হিয়াটাল। 

    আরও বিস্তারিত জানতে এবং সরাসরি ডাক্তারের পরামর্শের জন্য কল করুন - ০১৭৪০-৪৮৬১২৩

    হার্নিয়ার লক্ষণ হচ্ছে যেখানে হয়েছে সেখানে ব্যথা হবে বা ফুলে থাকবে তবে কিছু মানুষের ক্ষেত্রে কোন লক্ষণ দেখা যায় না। হার্নিয়ার চিকিৎসা হচ্ছে অস্ত্রোপচার, যাতে প্রভাবিত টিস্যুগুলি আবার আগের জায়গায় ফিরে যায় এবং ছিদ্র বন্ধ হয়ে যায়। কিন্তু এর জটিলতা হচ্ছে ফোলা, ব্যথা এবং অস্ত্রোপচারের জায়গা থেকে নির্গমন হতে থাকা। তবে অস্ত্রোপচারে ফলাফল ভাল হয়, সাধারণত হার্নিয়া আবার হয় না কিন্তু খুব অল্প ক্ষেত্রে প্রাথমিক পর্যায়ে চিকিৎসা না হওয়ার কারণে মৃত্যু হতে পারে।

    হার্নিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার কিছু কারণ নিচে দেয়া হলো -

    • পুরনো কাশি।
    • অতিরিক্ত হাঁচি।
    • কোষ্ঠকাঠিন্য।
    • ভারি বস্তু উত্তোলন।
    • একই পেশির অতিরিক্ত ব্যবহার।
    • শরীরের অতিরিক্ত ওজন বৃদ্ধি।
    • তামাক জাতীয় দ্রব্যের ব্যবহার।

    হার্নিয়ার লক্ষণ বা উপসর্গঃ

    হার্নিয়ার লক্ষণ এবং উপসর্গ অনেক রকমের হতে পারে, যেমন -

    • পেটের নির্দিষ্ট অংশ ফুলে যায় এবং সেই ফুলে যাওয়া অংশ থেকে প্রচণ্ড পেট ব্যথা অনুভূত হয়।
    • শরীর নিচু করলে ব্যথা অনুভব করা।
    • খাওয়া-দাওয়া না করার পরও পেট ভরা ভরা অনুভূত হওয়া।
    • বমি বমি ভাব হওয়া।
    • নাভির আশপাশ ফুলে যাওয়া।
    • কুঁচকি বা অণ্ডথলি ফুলে যাওয়া
    • উরুর গোড়ার ভেতর দিক ফুলে যাওয়া।
    • পেটে অপারেশন করা পূর্বের অংশটা ফুলে যাওয়া।
    • শরীরে জ্বর চলে আসা।
    • আক্রান্ত স্থানের আশপাশের পেশি দুর্বল হয়ে যাওয়া।
    • কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা হওয়া।

    আরও বিস্তারিত জানতে এবং সরাসরি ডাক্তারের পরামর্শের জন্য কল করুন - ০১৭৪০-৪৮৬১২৩

    হার্নিয়া চিকিৎসাঃ

    হার্নিয়ার ভাল চিকিৎসা হল শল্য চিকিৎসা। অস্ত্রোপচারের সময়ে হার্নিয়ার বস্তুগুলিকে ঠেলে উদরের মধ্যে ঢুকিয়ে দেওয়া হয় বা কেটে বাদ দিয়ে জায়গাটা সেলাই করে বন্ধ করে দেওয়া হয়। যে দুর্বল টিস্যু এবং পেশীগুলি ভেদ করে বস্তু বেড়িয়ে এসেছিল, সেগুলিকে সঠিক জায়গায় ধরে রাখার জন্য একটি কৃত্রিম বা পশুজাত জাল ব্যবহার করা হয়।

    এছাড়াও দুই ধরনের অপারেশনের মাধ্যমে হার্নিয়া থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। উন্মুক্ত বা প্রথাগত ভাবে এবং অল্প ক্ষত করে ল্যাপারস্কোপিক শল্য চিকিৎসার মাধ্যমে। উন্মুক্ত অস্ত্রোপচারে হার্নিয়ার জায়গায় একটি বড় ও লম্বা গর্ত কাটা হয় এবং দুর্বল পেশীগুলিকে মেরামত করা হয়। 

    ল্যাপারস্কোপিক বা কী-হোল শল্য চিকিৎসায় একাধিক ফুটো করা হয় এবং সরু নলের মত যন্ত্র দিয়ে অস্ত্রোপচার করা হয়। নলের মাথায় একটি ক্যামেরা লাগানো থাকে যাতে শরীরের ভিতরের ছবি শরীরের বাইরে একটি মনিটারে দেখে কাজ করা যায়।

    ইঙ্গুইনাল হার্নিয়াতে হার্নিয়োটমি, হার্নিয়োর্হাফি বা হার্নিয়োপ্লাস্টি'র মতন বিশেষ পদ্ধতির সুবিধা নেওয়া হয়। ইঙ্গুইনাল হার্নিয়ার অন্যান্য চিকিৎসাগুলি হলো কুন্ট'জ অস্ত্রোপচার, এন্ড্রিউ'জ ইম্ব্রিকেশানস বা ম্যাকভে বা নিহাস মেরামত এবং তা নির্ভর করে কি ধরনের মেরামত প্রয়োজন। অস্ত্রোপচারকারী ডাক্তার এই বিষয় নির্ণয় করে থাকেন। 

    বিভিন্ন প্রকারের হার্নিয়ার চিকিৎসার জন্য বিভিন্ন ধরণের অস্ত্রোপচার করা হয়। অস্ত্রোপচার সব সময় হার্নিয়ার একমাত্র চিকিৎসা নয়। অস্ত্রোপচারের দরকার হয়না, যদি আপনার হার্নিয়া, যে ধরনেরই হোক না কেন, কোন স্বাস্থ্য সম্বন্ধীয় বড় সমস্যা না থাকে। কিন্তু, বয়স্কদের ক্ষেত্রে এবং যারা গুরুতর অসুস্থ তাদের ক্ষেত্রে অস্ত্রোপচার এড়িয়ে যাওয়া হয়।

    হার্নিয়া সার্জারী এর অত্যাধুনিক চিকিৎসা সম্পর্কে ফ্রী পরামর্শ পেতে "সিরিয়াল বুক করুন"

    শেষ কথাঃ

    জন্মগতভাবে যদি হার্নিয়া থাকে তবে প্রতিরোধ করা যায় না। কিন্তু কিছু নিয়ম মেনে চললে হার্নিয়া হওয়ার ঝুঁকি কম থাকে। 

    • নিয়মিত ব্যায়াম করে স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখা এবং পরিমিত খাবার গ্রহণ করা।
    • খাবারের তালিকায় বেশি বেশি শাকসবজি ও টাটকা ফল রাখা।
    • ভারী বস্তু উত্তোলন করা থেকে বিরত থাকার চেষ্টা করা এবং করলেও বস্তু উত্তোলনের সময় হাঁটু ভাঁজ করে তুলতে হবে। কোনোমতেই কোমর বাঁকিয়ে তোলা যাবে না।
    • তাড়াতাড়ি হাঁটা, দৌড়ানো থেকে বিরত থাকা।

    হিয়াটাল হার্নিয়ার ক্ষেত্রে, কখনও কখনও বাজারে চলতি ওষুধ দেওয়া হয় যাতে পাকস্থলীর অম্বল কম হয়। এতে অস্বস্তি এবং অন্যান্য উপসর্গ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন এনে হিয়াটাল হার্নিয়ার উপসর্গ কম করা যায় কিন্তু সরানো যায় না। একবারে অনেকটা ভারী (গুনে ও পরিমাণে) খাবার এড়িয়ে চলতে হবে। 

    ভোজনের পরেই শুয়ে পড়া অথবা শ্রমসাধ্য শারীরিক পরিশ্রম করা বন্ধ করতে হবে। যে খাবারগুলি অম্বলের কারণ হয় সেই মশলাদার বা টক খাদ্য পরিহার করে হিয়াটাল হার্নিয়ার রোগীরা অম্বল থেকে মুক্তি পাবেন। যত দিন উপসর্গ থাকে তত দিন ধূমপান বন্ধ রাখুন। দেহের ওজন নিয়ন্ত্রণ করে আপনার উচ্চতার সাথে সামঞ্জস্য রাখুন। 

    কিছু কিছু ব্যায়াম হার্নিয়ার অঞ্চলের পেশীগুলিকে শক্তিশালী করতে সাহায্য করবে। এতে কিছু উপসর্গ কম হবে। তবে অত্যধিক ব্যায়াম করা বা ডাক্তারবাবুর পরামর্শ ছাড়া ব্যায়াম করলে হিতে বিপরীত হবে। ভাল হয় যদি একজন ফিজিওথেরাপিস্টের তত্ত্বাবধানে ব্যায়ামগুলি করেন। যদি সমস্ত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা মেনে চলার পরও উপসর্গগুলি না যায় তাহলে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমেই হার্নিয়া ঠিক করতে হবে।
     

    আরোও বিস্তারিত জানতে এবং সরাসরি ডাক্তারের পরামর্শ নিতে যোগাযোগ করুন - ০১৭৪০-৪৮৬১২৩

  • পাইলস কী, পাইলসের লক্ষণ ও চিকিৎসা, Piles

    পাইলস কী, পাইলসের লক্ষণ ও চিকিৎসা

    হেমোরয়েড বা পাইলস কি?

    পাইলস, যাকে অর্শ্বরোগও বলা হয়। বৃহদান্ত্রের শেষাংশে রেকটামের ভেতরে ও বাইরে থাকা কুশনের মতো একটি রক্তশিরার জালিকা থাকে, যা প্রয়োজন সাপেক্ষে সংকুচিত ও প্রসারিত হয় যা আমরা পাইলস নামে জেনে থাকি। যখন পায়ুপথে এসব শিরার সংক্রমণ বা প্রদাহ হয় এবং চাপ পড়ে তখন পাইলস বা হেমোরয়েডসে প্রদাহ হয়। যাকে সাধারণ ভাষায় অর্শরোগ বলা হয়।

    সরাসরি ডাক্তারের পরামর্শ নিতে যোগাযোগ করুন - ০১৭৪০-৪৮৬১২৩

    এটি মলদ্বারের এক ধরনের জটিল রোগ। পাইলস এর ফলে রক্তনালিগুলো বড় হয়ে গিয়ে ভাসকুলার কুশন তৈরি হয়। শিশু থেকে বৃদ্ধ যেকোন বয়সের মানুষ এ জটিল রোগে আক্রান্ত হতে পারে। পাইলস হলে সাধারণত চুলকানি বা রক্তক্ষরণ হয়। মলদ্বারের নিচের অংশে গোল আকারে ফুলে উঠে, ফলে যে কোন সময় সেই জায়গা থেকে রক্তপাত হতে থাকে। এটি খুবই অস্বস্তিকর এবং যন্ত্রনাদায়ক। 

    দীর্ঘকালীন কোষ্ঠকাঠিন্যের রোগীদের পাইলসের সমস্যা দেখা দেওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়। এছাড়া যাদের মলত্যাগের অকারণে বেগ প্রদানের বদভ্যাস রয়েছে, তারাও এই রোগ বাধিয়ে ফেলতে পারেন। আসুন তাহলে বিস্তারিত জেনে নেই পাইলস কী, পাইলসের লক্ষণ ও চিকিৎসা সহ কিছু তথ্য।

    হেমোরয়েড বা পাইলসের প্রকারভেদ -

    সাধারণত পাইলস দুই প্রকার হয়ে থাকে -

    • অভ্যন্তরীণ পাইলস
    • বাহ্যিক পাইলস

    অভ্যন্তরীণ পাইলস এবং বাহ্যিক পাইলস মলদ্বারে তাদের অবস্থানের উপর ভিত্তি করে। এগুলি সাধারণ এবং মলদ্বারের ভিতরে মলদ্বারের খোলার উপরে ২ থেকে ৪ সেন্টিমিটার (সেমি) এর মধ্যে ঘটে। 

    অভ্যন্তরীণ পাইলস:

    অভ্যন্তরীণ অর্শ্বরোগ চারটি শ্রেণী বা পর্যায়ের হয় যা প্রোল্যাপের উপর ভিত্তি করে।

    • প্রথম পর্যায় - পাইলস ফুলে বাইরের দিকে বের হয়ে আসে না বা প্রলেপস হয় না।
    • দ্বিতীয় পর্যায় - মলমূত্র ত্যাগের পর পাইলস ফুলে বাইরের দিকে বের হয়ে আসে এবং তারপর আপনা-আপনি ঠিক হয়ে যায়।
    • তৃতীয় পর্যায় - পাইলস ফুলে বাইরের দিকে বের হয়ে আসে এবং নিজে নিজে ঠিক করতে হয়।
    • চতুর্থ পযার্য় - পাইলস ফুলে বাইরের দিকে বের হয়ে আসে বা প্রলেপস হয় এবং তা আর নিজে ঠিক হয় না বা করা যায় না।

    বাহ্যিক পাইলস:

    বাহ্যিক পাইলস মলদ্বারের বাইরের প্রান্তে ছোট ছোট গলদ গঠন করে। এগুলো প্রায়শই চুলকানিদায়ক এবং বেদনাদায়ক হয়ে থাকে।

    হেমোরয়েড বা পাইলসের কারণ -

    পাইলসের প্রধান কারণগুলো হচ্ছে:

    • দীর্ঘদিন কোষ্ঠকাঠিণ্যে ভোগা
    • বার্ধক্যজনিত কারণে ত্বক পাতলা হয়ে যাওয়া
    • পুরনো ডায়রিয়া
    • মলত্যাগে দীর্ঘক্ষণ টয়লেটে বসে থাকা
    • দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকা
    • পারিবারিক ইতিহাস
    • আঁশযুক্ত খাবার কম খাওয়া
    • ভারি মালপত্র বহন করা
    • স্থুলতা,
    • কায়িক শ্রম কম করা
    • গর্ভকালীন সময়ে
    • পায়ুপথে যৌনক্রিয়া
    • যকৃত রোগ বা লিভার সিরোসিস

    সর্বোপরি পোর্টাল ভেনাস সিস্টেমে কোনো ভাল্ব না থাকায় উপরিউক্ত যে কোনো কারণে পায়ু অঞ্চলে শিরাগুলোতে চাপের ফলে পাইলস সৃষ্টি হয়।

    সরাসরি ডাক্তারের পরামর্শ নিতে যোগাযোগ করুন - ০১৭৪০-৪৮৬১২৩

    হেমোরয়েড বা পাইলসের  লক্ষণ - 

    পাইলস রোগে যেসব লক্ষণ দেখা যায় তা হচ্ছে- পায়ুপথের অন্ত্র বা ভেতরের পাইলস রোগে সাধারণত তেমন কোনো ব্যথা বেদনা, অস্বস্তি থাকে না। অন্যদিকে পায়ুপথের বহিঃঅর্শরোগে পায়ুপথ চুলকায়, বসলে ব্যথা করে, পায়খানার সঙ্গে টকটকে লাল রক্ত দেখা যায় বা শৌচ করার টিস্যুতে তাজা রক্ত লেগে থাকে, মলত্যাগে ব্যথা লাগা, পায়ুর চারপাশে এক বা একের অধিক থোকা থোকা ফোলা থাকে।

    পাইলসের সাধারণ লক্ষণগুলি এখানে:

    • পায়ূ অঞ্চলে ব্যথা এবং চুলকানি। 
    • মল বা মলত্যাগের পর রক্ত।
    • মলদ্বারের চারপাশে একটি শক্ত গলদা।

    অভ্যন্তরীণ অর্শ্বরোগের লক্ষণ:

    • মল অতিক্রম করার সময় অতিরিক্ত চাপ বা জ্বালা হতে পারে।
    • মলত্যাগের সময় ব্যথাহীন রক্তপাত।
    • যদি পাইলস প্রল্যাপস, ব্যথা এবং জ্বালা হয়।

    বহিরাগত অর্শ্বরোগের লক্ষণগুলির মধ্যে রয়েছে:

    • মলদ্বারের চারপাশে চুলকানি।
    • মলদ্বারের কাছে বেদনাদায়ক মাংসল গলদ।
    • বসার সময় ব্যথা বা অস্বস্তি।
    • মলদ্বারে রক্তক্ষরণ।

    হেমোরয়েড বা পাইলসের ঝুঁকিতে কারা?

    হেমোরয়েড বা পাইলস সব বয়সের ব্যক্তিদের প্রভাবিত করতে পারে, তবে কিছু কারণ এই রোগের ঝুঁকি বাড়ায়। যাদের কোষ্ঠকাঠিন্য বা ডায়রিয়ার সমস্যা আছে তারা ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তিদের মধ্যে পরে।

    যদি আপনি নিশ্চিত না হন যে আপনার পাইলস হয়েছে, আমাদের পাইলস ও পায়ুপথ বিশেষজ্ঞ সাথে পরামর্শ করতে অনুগ্রহ করে আমাদের অ্যাপয়েন্টমেন্ট হেল্পলাইন ব্যবহার করুন।

    সরাসরি ডাক্তারের পরামর্শ নিতে যোগাযোগ করুন - ০১৭৪০-৪৮৬১২৩

    হেমোরয়েড বা পাইলস এর জটিলতা

    যদি চিকিত্সা না করা হয় বা অবস্থা গুরুতর হয়ে যায় তবে জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে। হেমোরয়েডের কিছু সম্ভাব্য জটিলতার মধ্যে রয়েছে:

    থ্রম্বোসিস: বাহ্যিক হেমোরয়েডগুলি রক্ত ​​জমাট বাঁধতে পারে, যার ফলে তীব্র ব্যথা, ফোলাভাব এবং প্রদাহ হতে পারে। এই অবস্থা, থ্রম্বোজড হেমোরয়েডস নামে পরিচিত, উপসর্গগুলি উপশম করতে এবং আরও জটিলতা রোধ করতে চিকিৎসার হস্তক্ষেপের প্রয়োজন।

    রক্তপাত: হেমোরয়েড রক্তপাত হতে পারে, বিশেষ করে মলত্যাগের সময়। যদিও ছোটখাট রক্তপাত এবং সাধারণত নিজে থেকেই সমাধান হয়ে যায়, তবে দীর্ঘদিন ধরে রক্তপাতের জন্য রক্তশূন্যতা হতে পারে।

    প্রল্যাপস: কিছু ক্ষেত্রে, অভ্যন্তরীণ হেমোরয়েড মলদ্বারের বাইরে বের হতে পারে, এই অবস্থাটি প্রল্যাপসড হেমোরয়েডস নামে পরিচিত। প্রল্যাপ্সড হেমোরয়েড অস্বস্তি, জ্বালা এবং অসুবিধার কারণ হতে পারে। গুরুতর প্রল্যাপসের জন্য রাবার ব্যান্ড লাইগেশন বা অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হয়।

    শ্বাসরোধ: প্রল্যাপ্সড হেমোরয়েড মলদ্বারের বাইরে আটকে যেতে পারে, যার ফলে শ্বাসরোধ হতে পারে এবং রক্ত চলাচল ব্যাহত হয়। এটি গুরুতর ব্যথা, ফুলে যাওয়া এবং টিস্যুর ক্ষতির কারণ হতে পারে, লক্ষণগুলি উপশম করতে এবং জটিলতা রোধ করতে জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজন হয়।

    দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা: ক্রমাগত উপসর্গ যেমন চুলকানি, জ্বালাপোড়া এবং অস্বস্তি জীবনযাত্রার মান এবং দৈনন্দিন কাজকর্মকে উল্লেখযোগ্যভাবে প্রভাবিত করে। 

    সংক্রমণ: ঘামাচি, ঘষা বা বিরক্তিকর হেমোরয়েডগুলি ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের কারণ হতে পারে, যার ফলে লালভাব, ফোলাভাব, উষ্ণতা এবং পুঁজ নিষ্কাশনের মতো লক্ষণ দেখা দিতে পারে।

    অ্যানিমিয়া: হেমোরয়েডস থেকে দীর্ঘস্থায়ী রক্তপাতের ফলে আয়রনের ঘাটতিজনিত রক্তাল্পতা হতে পারে, এমন একটি অবস্থা যা লোহিত রক্তকণিকার সংখ্যা কম এবং টিস্যুতে অক্সিজেন সরবরাহ হ্রাস করে। অ্যানিমিয়া ক্লান্তি, দুর্বলতা, ফ্যাকাশে ত্বক এবং শ্বাসকষ্টের কারণ হতে পারে।

    পাইলস এর চিকিৎসা -

    পায়ুদ্বার সংক্রান্ত যে কোনো সমস্যা হলে প্রথমেই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত। এ ধরনের অসুখের ক্ষেত্রে অনেকেই চেপে যান প্রথমে, যা অসুখের মাত্রা আরো বাড়িয়ে দেয়। চিকিৎসকেরা রোগ নির্ণয় করে প্রক্টোস্কোপির মাধ্যমে প্রাথমিকভাবে চিকিৎসা শুরু করতে পারেন।

    প্রথম পর্যায়ে মলম, ইনজেকশন বা রাবার ব্যান্ড লাইগেশনের সাহায্যেই রোগ নিরাময় করা সম্ভব। অসুখের মাত্রা বাড়াবাড়ি পর্যায়ে চলে গেলে অবশ্য শল্যচিকিৎসা ছাড়া উপায় নেই। তবে সব কয়টি ক্ষেত্রেই রোগটি ফিরে আসার শঙ্কা থাকে, যদি না সাবধানে থাকা যায়।

    এজন্য বদলে ফেলুন লাইফস্টাইল। পাইলস বা পায়ুদ্বার সংক্রান্ত যে কোনো অসুখের জন্য পরোক্ষভাবে দায়ী অনিয়মিত লাইফস্টাইল। এজন্য খাওয়ার অভ্যাস বাড়াতে হবে। এড়িয়ে চলতে হবে ক্যাফিন জাতীয় পানীয়, তেল-ঝাল মশলাযুক্ত রান্না। পাইলসের রোগীদের পক্ষে শুকনো লঙ্কা বিষতুল্য। ভারী জিনিস তোলাও কিন্তু বারণ।

    পাইলস থেকে ক্যান্সার হওয়ার পূর্বেই এর চিকিৎসা করা জরুরি। রিং লাইগেশন এবং লংগো অপারেশনের দ্বারা শতকরাই প্রায় ১০০% রোগী সুস্থ হয়ে উঠছেন। প্রচলিত এই অপারেশনে মলদ্বারের তিনটি অংশ কাটার প্রয়োজন হয়।

    এই অপারেশন শুধু তাদের জন্যই করা হয় যাদের রিং লাইগেশন এর জন্য উপযুক্ত হিসেবে বিবেচনা করা হয় এবং যারা লংগো অপারেশন করানোর জন্য মেশিন কিনতে অক্ষম। 

    চলিত অপারেশনের মতই আরেকটি অপারেশন হলো লেজার অপারেশন। পার্থক্য শুধু এটাই যে, লেজার অপারেশনে বিম ব্যবহার করা হয়। এবং প্রচলিত অপারেশনে সার্জিক্যাল নাইফ ব্যবহার করে কাটাকাটির কাজ করা হয়।

    চলিত অপারেশনের মতো লেজার অপারেশনে ক্ষত স্থান হবে তিনটি । লেজার অপারেশন ও সাধারণত অপারেশন  এর মধ্যে তেমন কিছু তফাৎ নেই কারণ দুটি অপারেশনেই সমান ব্যথা অনুভব করতে হয়। ক্ষত স্থান টি শুকাতে ১-২ মাস সময় লাগে।

    পাইলস চিকিৎসা শাস্ত্রে বহু ধরনের পদ্ধতি রয়েছে। যেমনঃ– ক্রায়োথেরাপি, ইঞ্জেকশন, আল্ট্রয়েড, লেজার থেরাপি, রিং লাইগেশন ইত্যাদি। 

    তবে আপনি যদি উপরিউক্ত চিকিৎসাগুলো না করে ঘরোয়া ভাবে এর সমাধান বের করতে পারেন। সেক্ষেত্রে নীচে উল্লিখিত নির্দেশনাগুলো আপনার জন্য। 

    • পাইলস এর ঘরোয়া চিকিৎসা পালনে নিয়মিত সবুজ শাক-সবজি খেতে হবে। 
    • দৈনিক পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করতে হবে। 
    • মল শক্ত হয় এসব খাবার থেকে দূরে থাকতে হবে। অতিরিক্ত গরুর মাংশ খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।
    •  পরিমাণ মতো আঁশযুক্ত খাবার নিয়মিত খেতে হবে। পাইলসের হাত থেকে রক্ষা পেতে চাইলে পাইলসের লক্ষণ ধরা দেওয়ার পূর্বে থেকেই এ সকল খাবার খেতে হবে। 
    • দরকার হলে ডাক্তারের কাছে গিয়ে পাইলস এর  ঔষধ  গ্রহণ করতে হবে। 
    • পাইলস এর ঘরোয়া চিকিৎসাটি আপনি ঘরে বসেই কিছু নিয়ম পালনের মাধ্যমে সম্পন্ন করতে পারবেন। 

    ঢাকায় পাইলস অপারেশন খরচ কত দেখতে এখানে ক্লিক করুন 

    শেষ কথা -

    পায়ুপথের যেকোনো রোগকেই অধিকাংশ মানুষ পাইলস বলে জানে। কিন্তু পায়ুপথের রোগ মানেই পাইলস নয়। পায়ুপথে নানা ধরনের সমস্যা হতে পারে। বেশির ভাগ রোগী, বিশেষত নারীরা, এসব সমস্যার কথা গোপন করে রাখেন এবং চিকিৎসা গ্রহণ করতে দেরি করে ফেলেন।

    আবার অনেকেই লজ্জা বা সংকোচের কারণে চিকিৎসকের কাছে না গিয়ে টোটকা ওষুধ, কবিরাজি, হোমিওপ্যাথি গ্রহণ করেন। আর ক্রমশ অবস্থা জটিল হয়ে পড়ে। কিন্তু সময়মতো চিকিৎসা নিলে অধিকাংশ মানুষ সার্জারি বা অস্ত্রোপচার ছাড়াই হয়তো ভালো হতে পারবেন।

    পায়ুপথে সাধারণত ফিসার, ফিস্টুলা, হেমোরয়েড, ফোড়া, প্রোলাপস, রক্ত জমাট, পলিপ বা টিউমার ইত্যাদি রোগ হতে পারে। সব সমস্যার অন্যতম কারণ হলো কোষ্ঠকাঠিন্য। তাই এ বিষয়ে আগে থেকে সচেতন ও সতর্ক থাকতেই হবে। চিকিৎসা না নিলে এ থেকে কখনো কখনো ক্যানসার বা বড় সমস্যাও দেখা দিতে পারে। তাই যথাসময়ে এর চিকিৎসা ও সতর্কতা জরুরি।

    আরও বিস্তারিত জানতে এবং সরাসরি ডাক্তারের পরামর্শের জন্য কল করুন - ০১৭৪০৪৮৬১২৩

  • কিডনি বিশেষজ্ঞ ডাক্তার, নেফ্রোলজিস্ট

    ঢাকার কিডনি বিশেষজ্ঞ ডাক্তার (নেফ্রোলজিস্ট) তালিকা

    কিডনি আমাদের শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলোর একটি, যা শরীর থেকে বর্জ্য পদার্থ ছেঁকে বের করে এবং রক্তচাপসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে। কিডনি বিকল, পাথর, সংক্রমণ বা হাই ব্লাড প্রেশারজনিত কিডনি জটিলতায় সঠিক চিকিৎসার জন্য একজন অভিজ্ঞ কিডনি বিশেষজ্ঞ ডাক্তার এর পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

    এই ব্লগে আমরা তুলে ধরছি কিডনি বিশেষজ্ঞ ডাক্তার ঢাকা শহরের অভিজ্ঞ ও বিশ্বস্ত চিকিৎসকদের তালিকা, যাঁরা আধুনিক চিকিৎসা ও প্রযুক্তির মাধ্যমে কিডনির বিভিন্ন রোগের সফল চিকিৎসা দিয়ে থাকেন। আপনি যদি দক্ষ ও নির্ভরযোগ্য কিডনি ডাক্তার ঢাকা খুঁজে থাকেন, তাহলে এই গাইডটি আপনার জন্য হবে এক নির্ভরযোগ্য উৎস।


    ঢাকার কিডনি বিশেষজ্ঞ ও সার্জন ডাক্তারের তালিকা নিম্নে দেয়া হলো -


    অধ্যাপক ডাঃ মাসুদ ইকবাল

    নেফ্রোলজিস্ট, কিডনি বিশেষজ্ঞ

    এমবিবিএস, এমডি (নেফ্রোলজি) কিডনি রোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক এবং বিভাগীয় প্রধান, (নেফ্রোলজি বিভাগ) প্রাক্তন জাতীয় কিডনি রোগ ও ইউরোলজি ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক, বাংলাদেশ স্বাস্থ্য বিজ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয়।

    চেম্বারের ঠিকানা: জেমকন বিজনেস টাওয়ার, ২৫৫ নিউ সার্কুলার রোড, মালিবাগ, ঢাকা।

    ডাক্তারের প্রোফাইল দেখতে ক্লিক করুন

    সিরিয়ালের জন্য কল করুন ০১৭৪০-৪৮৬১২৩ (সকাল ১০:০০ টা হতে সন্ধ্যা ০৭:০০ টা, শুক্রবার ব্যাতিত)


    ডাঃ মোঃ ফারুক ই আজম

    কিডনি বিশেষজ্ঞ এবং সার্জন

    এমবিবিএস, ডিটিএম এবং এইচ (যুক্তরাজ্য) স্নাতকোত্তর সার্টিফিকেট এবং নেফ্রোলজিতে ডিপ্লোমা (যুক্তরাজ্য) ডিপ্লোমা ইন অর্গান ট্রান্সপ্ল্যান্টেশন (যুক্তরাজ্য) এমএসসি ইন অর্গান ট্রান্সপ্ল্যান্টেশন (যুক্তরাজ্য) প্রাক্তন ডায়ালাইসিস ইনচার্জ এবং কিডনি ট্রান্সপ্ল্যান্ট সমন্বয়কারী, ইউনাইটেড হাসপাতাল লিমিটেড, ঢাকা। কনসালটেন্ট, সংক্রামক রোগ, কিডনি ডায়ালাইসিস এবং কিডনি ট্রান্সপ্ল্যান্টেশন।

    চেম্বারের ঠিকানা: জেমকন বিজনেস টাওয়ার, ২৫৫ নিউ সার্কুলার রোড, মালিবাগ, ঢাকা।

    ডাক্তারের প্রোফাইল দেখতে ক্লিক করুন

    সিরিয়ালের জন্য কল করুন ০১৭৪০-৪৮৬১২৩ (সকাল ১০:০০ টা হতে সন্ধ্যা ০৭:০০ টা, শুক্রবার ব্যাতিত)



    অধ্যাপক ডাঃ রানা মোকাররম হোসেন 

    কিডনি বিশেষজ্ঞ

    এমবিবিএস, এমডি (নেফ্রোলজী), সিসিডি (ড্যাব) কিডনী রোগ ও ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক, কিডনীরোগ বিভাগ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা।

    চেম্বারের ঠিকানা: ৭৪জি/৭৫, পি-কক স্কোয়ার, নিউ এয়ারপোর্ট রোড, ঢাকা ১২১৫।

    ডাক্তারের প্রোফাইল দেখতে ক্লিক করুন

    সিরিয়ালের জন্য কল করুন ০১৭৪০-৪৮৬১২৩ (সকাল ১০:০০ টা হতে সন্ধ্যা ০৭:০০ টা, শুক্রবার ব্যাতিত)



    সহযোগী অধ্যাপক ডাঃ জোবায়দা খানম চৌধুরী

    কিডনি বিশেষজ্ঞ

    এমবিবিএস, এম.ডি (নেফ্রোলজী) ইন্ডাঃ জোবায়দা খানম চৌধুরী সহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান শহীদ মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। 

    চেম্বারের ঠিকানা: প্লট- ১,২,৩, বিএনএসবি ভবন, মিরপুর-১, ঢাকা-১২১৬।

    ডাক্তারের প্রোফাইল দেখতে ক্লিক করুন

    সিরিয়ালের জন্য কল করুন ০১৭৪০-৪৮৬১২৩ (সকাল ১০:০০ টা হতে সন্ধ্যা ০৭:০০ টা, শুক্রবার ব্যাতিত)



    অধ্যাপক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডাঃ মোঃ মাকসুদুর রসুল

    কিডনি বিশেষজ্ঞ

    এমবিবিএস, এমসিপিএস মেডিসিন) এফসিপিএস (ইন্টারনাল মেডিসিন), এফসিপিএস (নেফ্রোলজি) সদস্য আমেরিকান সোসাইটি অফ নেফ্রোলজি (এএসএন), ক্লাসিফাইড স্পেশালিস্ট মেডিসিন অ্যান্ড নেফ্রোলজি ডিপার্টমেন্ট অফ মেডিসিন এবং কিডনি কম্বাইন্ড মিলিটারি হসপিটাল, ঢাকা।

    চেম্বারের ঠিকানা: বাড়ি# ১ এবং ২, রোড# ২, ব্লক# বি, সেকশন# ১০, ঢাকা ১২১৬।

    ডাক্তারের প্রোফাইল দেখতে ক্লিক করুন

    সিরিয়ালের জন্য কল করুন ০১৭৪০-৪৮৬১২৩ (সকাল ১০:০০ টা হতে সন্ধ্যা ০৭:০০ টা, শুক্রবার ব্যাতিত)



    মেজর জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ইমেরিটাস জিয়াউদ্দিন আহমেদ

    কিডনি বিশেষজ্ঞ

    এমবিবিএস (ঢাকা), এমসিপিএস (মেডিসিন), এফসিপিএস (মেডিসিন), এমআরসিপি, এফআরসিপি (আয়ারল্যান্ড), এফআরসিপি (গ্লাসগো), নেফ্রোলজিতে সিনিয়র ফেলোশিপ (সিঙ্গাপুর), মেডিসিনের প্রাক্তন মহাপরিচালক ও অধ্যাপক এবং বিভাগীয় প্রধান, নেফ্রোলজি, বারডেম হাসপাতাল, প্রাক্তন কনসালট্যান্ট ফিজিশিয়ান, বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী, প্রাক্তন সিনিয়র ফিজিশিয়ান, সিএমএইচ, ঢাকা।

    চেম্বারের ঠিকানা: বাড়ি-১ ও ৩, রোড-২, ব্লক-বি, সেকশন-১০, মিরপুর, ঢাকা।

    ডাক্তারের প্রোফাইল দেখতে ক্লিক করুন

    সিরিয়ালের জন্য কল করুন ০১৭৪০-৪৮৬১২৩ (সকাল ১০:০০ টা হতে সন্ধ্যা ০৭:০০ টা, শুক্রবার ব্যাতিত)




    অধ্যাপক ডাঃ আজিজুন নেসা

    মেডিসিন এবং কিডনি বিশেষজ্ঞ

    এমবিবিএস, এফসিপিএস (মেডিসিন), এফসিপিএস (নেফ্রোলজি), এফআরসিপি (গ্লাসগো), ইন্টার্নাল মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ও নেফ্রোলজিস্ট, অধ্যাপক (পরামর্শদাতা বিশেষজ্ঞ এইচওডি), নেফ্রোলজি বিভাগ, সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল (সিএমএইচ), ঢাকা।

    চেম্বারের ঠিকানা: প্লট #২৯, ব্লক #বি, ১০ রোড ১, ঢাকা ১২১৬।

    ডাক্তারের প্রোফাইল দেখতে ক্লিক করুন

    সিরিয়ালের জন্য কল করুন: ০১৭৪০-৪৮৬১২৩ (সকাল ০৮:০০ টা হতে সন্ধ্যা ০৭:০০ টা, শুক্রবার ব্যাতিত)



    ডাঃ মোঃ দেলোয়ার হাসান (টিটো)

    কিডনি বিশেষজ্ঞ

    এমবিবিএস, এমসিপিএস (মেডিসিন) সিসিডি (বারডেম), এফআরএসএইচ (লন্ডন) এ্যাডভান্সড ট্রেনিং ইন নেফ্রোলজী (বিএসএমএমইউ)।
    মেডিসিন, ডায়াবেটিস ও কিডনী রোগ বিশেষজ্ঞ।

    চেম্বারের ঠিকানা: প্লট-১১, মেইন রোড-১, মিরপুর-১০, ঢাকা-১২১৬ । (মিরপুর ১০ নং গোলচক্ত্বর থেকে ১০০ গজ পূর্ব পার্শ্বে)

    ডাক্তারের প্রোফাইল দেখতে ক্লিক করুন

    সিরিয়ালের জন্য কল করুন ০১৭৪০-৪৮৬১২৩ (সকাল ১০:০০ টা হতে সন্ধ্যা ০৭:০০ টা, শুক্রবার ব্যাতিত)



    ডাঃ সুমন ধর

    কিডনি রোগ ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ

    এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য) এফসিপিএস (মেডিসিন), এমডি (নেফ্রোলজি), এমএসিপি (আমেরিকা) কনসালটেন্ট (মেডিসিন), মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ঢাকা।

    চেম্বারের ঠিকানা: জেমকন বিজনেস টাওয়ার, ২৫৫ নিউ সার্কুলার রোড, মালিবাগ, ঢাকা।

    ডাক্তারের প্রোফাইল দেখতে ক্লিক করুন

    সিরিয়ালের জন্য কল করুন ০১৭৪০-৪৮৬১২৩ (সকাল ১০:০০ টা হতে সন্ধ্যা ০৭:০০ টা, শুক্রবার ব্যাতিত)




    ডাঃ হাসান মাহমুদ

    কিডনি বিশেষজ্ঞ

    এমবিবিএস, এমডি (নেফ্রোলজি) বিসিএস (স্বাস্থ্য), সিসিডি (বারডেম) কিডনি, মেডিসিন ও ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ পরামর্শক জাতীয় কিডনি রোগ ও ইউরোলজি ইনস্টিটিউট (এনআইসিডিও), ঢাকা।

    চেম্বারের ঠিকানা: বাড়ি ২৩, ২৪ এবং ২৬, লেক ড্রাইভ রোড, সেক্টর ০৭ উত্তরা, ঢাকা-১২৩০।

    ডাক্তারের প্রোফাইল দেখতে ক্লিক করুন

    সিরিয়ালের জন্য কল করুন ০১৭৪০-৪৮৬১২৩ (সকাল ১০:০০ টা হতে সন্ধ্যা ০৭:০০ টা, শুক্রবার ব্যাতিত)



    ডাঃ এ,এস,এম ফরহাদ খান

    কিডনি বিশেষজ্ঞ

    এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য),সিসিডি (বারডেম), এমডি (নেফ্রোলজী) মেডিসিন ও কিডনী রোগ বিশেষজ্ঞ ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ কিডনী ডিজিজেস, এন্ড ইউরোলজী হাসপাতাল, ঢাকা।

    চেম্বারের ঠিকানা: প্লটঃ ২৯-৩০, ব্লক-খ, রোড-০১, সেকশন-৬, মিরপুর-১০ গোলচক্ত্বর, ঢাকা-১২১৬ । (মিরপুর ফায়ার সার্ভিসের বিপরীতে)

    ডাক্তারের প্রোফাইল দেখতে ক্লিক করুন

    সিরিয়ালের জন্য কল করুন ০১৭৪০-৪৮৬১২৩ (সকাল ১০:০০ টা হতে সন্ধ্যা ০৭:০০ টা, শুক্রবার ব্যাতিত)



    সহকারী অধ্যাপক ডাঃ সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ 

    কিডনি বিশেষজ্ঞ

    এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এফসিপিএস (মেডিসিন), এমডি (নেফ্রোলজি বিভাগ) সহকারী অধ্যাপক (নেফ্রোলজি বিভাগ) শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ, ঢাকা।

    চেম্বারের ঠিকানা: বাড়ী-০২, রোড-০৬, ব্লক-এ, মিরপুর-১০, ঢাকা-১২১৬। (ইনডোর স্টেডিয়ামের পূর্ব পার্শ্বে)

    ডাক্তারের প্রোফাইল দেখতে ক্লিক করুন

    সিরিয়ালের জন্য কল করুন ০১৭৪০-৪৮৬১২৩ (সকাল ১০:০০ টা হতে সন্ধ্যা ০৭:০০ টা, শুক্রবার ব্যাতিত)



    প্রফেসর ডাঃ এম.এ. সবুর

    কিডনি বিশেষজ্ঞ

    এমবিবিএস, এফসিপিএস (মেডিসিন) অধ্যাপক এবং বিভাগীয় প্রধান (মেডিসিন বিভাগ) আইবিএন সিনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, ঢাকা।

    চেম্বারের ঠিকানা: ১,২,৩, বিএনএসবি ভবন, কলওয়ালাপাড়া, মিরপুর-১, ঢাকা-১২১৬ । (সনি সিনেমা হলের বিপরীতে)

    ডাক্তারের প্রোফাইল দেখতে ক্লিক করুন

    সিরিয়ালের জন্য কল করুন ০১৭৪০-৪৮৬১২৩ (সকাল ১০:০০ টা হতে সন্ধ্যা ০৭:০০ টা, শুক্রবার ব্যাতিত)



    ডাঃ মুহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক

    কিডনি বিশেষজ্ঞ 

    এমবিবিএস (ঢাকা), এমডি (নেফ্রোলজি), নিকভু সহকারী অধ্যাপক (কিডনি বিভাগ), ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ঢাকা। (কিডনি, মেডিসিন এবং হাইপারটেনশন বিশেষজ্ঞ)

    চেম্বারের ঠিকানা: ১,২,৩, বিএনএসবি ভবন, কলওয়ালাপাড়া, মিরপুর-১, ঢাকা-১২১৬ । (সনি সিনেমা হলের বিপরীতে)

    ডাক্তারের প্রোফাইল দেখতে ক্লিক করুন

    সিরিয়ালের জন্য কল করুন ০১৭৪০-৪৮৬১২৩ (সকাল ১০:০০ টা হতে সন্ধ্যা ০৭:০০ টা, শুক্রবার ব্যাতিত)



    ডাঃ এ.এন.এম. আব্দুল হাই

    কিডনি বিশেষজ্ঞ 

    এমবিবিএস (ঢাকা), এমডি (নেফ্রোলজি), বিসিএস (ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব কিডনি ডিজিজেস অ্যান্ড ইউরোলজি শেরে বাংলা নগর, ঢাকা।

    চেম্বারের ঠিকানা: মিরপুর-১১, বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন, কেন্দ্রীয় মসজিদ ও মাদ্রাসা কমপ্লেক্স, পল্লবী, ঢাকা-১২১৬ ।

    ডাক্তারের প্রোফাইল দেখতে ক্লিক করুন

    সিরিয়ালের জন্য কল করুন ০১৭৪০-৪৮৬১২৩ (সকাল ১০:০০ টা হতে সন্ধ্যা ০৭:০০ টা, শুক্রবার ব্যাতিত)




    ডাঃ মোঃ নাছিমুল হক ফিরোজ

    কিডনি বিশেষজ্ঞ 

    এমবিবিএস, বিসিএস, এমডি (নেফ্রোলজি) মেডিসিন ও কিডনি বিশেষজ্ঞ স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ মিটফোর্ড হাসপাতাল, ঢাকা।

    চেম্বারের ঠিকানা: ব্যাংক কলোনি, আরিচা রোড (পাকিজা প্রিন্টের পশ্চিম পাশে) সাভার, ঢাকা।

    ডাক্তারের প্রোফাইল দেখতে ক্লিক করুন

    সিরিয়ালের জন্য কল করুন ০১৭৪০-৪৮৬১২৩ (সকাল ১০:০০ টা হতে সন্ধ্যা ০৭:০০ টা, শুক্রবার ব্যাতিত)



    ডাঃ আবদুস সালাম ওসমানী

    কিডনি বিশেষজ্ঞ 

    এমবিবিএস, বিসিএস, সিসিডি (বারডেম) এমডি-(নেফ্রোলজি) কিডনি, মেডিসিন, ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ জাতীয় কিডনি রোগ ও ইউরোলজি ইনস্টিটিউট শেরেবাংলা নগর, ঢাকা থেকে।

    চেম্বারের ঠিকানা: বাড়ি ২৩, ২৪ এবং ২৬, লেক ড্রাইভ রোড, সেক্টর ০৭ উত্তরা, ঢাকা-১২৩০।

    ডাক্তারের প্রোফাইল দেখতে ক্লিক করুন

    সিরিয়ালের জন্য কল করুন ০১৭৪০-৪৮৬১২৩ (সকাল ১০:০০ টা হতে সন্ধ্যা ০৭:০০ টা, শুক্রবার ব্যাতিত)



    ডাঃ ফজলে এলাহী খান

    কিডনি বিশেষজ্ঞ 

    এমবিবিএস, এমডি (নেফ্রোলজি) কিডনি রোগে উচ্চ প্রশিক্ষিত (ইউরোপ, আমেরিকা, কানাডা, চীন, জাপান, অস্ট্রেলিয়া, মালয়েশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া এবং ভারত) প্রোগ্রাম ম্যানেজার - এনডিসি, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কিডনি, প্রাক্তন সহকারী অধ্যাপক এবং বিভাগীয় প্রধান, নেফ্রোলজি বিভাগ- আমৌমেক ও জননেতা নুরুল হক আধুনিক হাসপাতাল, নোয়াখালী কনসালটেন্ট-নেফ্রোলজি, ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ঢাকা।

    চেম্বারের ঠিকানা: ৭৪জি /৭৫, পি-কক স্কয়ার, নিউ এয়ারপোর্ট রোড, ঢাকা ১২১৫।

    ডাক্তারের প্রোফাইল দেখতে ক্লিক করুন

    সিরিয়ালের জন্য কল করুন ০১৭৪০-৪৮৬১২৩ (সকাল ১০:০০ টা হতে সন্ধ্যা ০৭:০০ টা, শুক্রবার ব্যাতিত)



    সহকারী অধ্যাপক ডাঃ সরাবন তারা

    কিডনি বিশেষজ্ঞ 

    এমবিবিএস, এমডি (বিএসএমএমইউ) নেফ্রোলজিস্ট সহকারী অধ্যাপক - নেফ্রোলজি বিভাগ ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ঢাকা।

    চেম্বারের ঠিকানা: ৭৪জি /৭৫, পি-কক স্কয়ার, নিউ এয়ারপোর্ট রোড, ঢাকা ১২১৫।

    ডাক্তারের প্রোফাইল দেখতে ক্লিক করুন

    সিরিয়ালের জন্য কল করুন ০১৭৪০-৪৮৬১২৩ (সকাল ১০:০০ টা হতে সন্ধ্যা ০৭:০০ টা, শুক্রবার ব্যাতিত)



    ডাঃ তোফায়েল আহমেদ

    কিডনি বিশেষজ্ঞ 

    এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এমডি (নেফ্রোলজি) সহকারী অধ্যাপক, কিডনি রোগ বিভাগ শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল।

    চেম্বারের ঠিকানা: বাড়ি-০৪, রোড-০৮, ব্লক-এ, সেকশন-১১, নান্নু মার্কেট, পল্লবী, মিরপুর-১১, ঢাকা-১২১৬।

    ডাক্তারের প্রোফাইল দেখতে ক্লিক করুন

    সিরিয়ালের জন্য কল করুন ০১৭৪০-৪৮৬১২৩ (সকাল ১০:০০ টা হতে সন্ধ্যা ০৭:০০ টা, শুক্রবার ব্যাতিত)


    আরো পড়ুন : ঢাকার কার্ডিওলজিস্ট বা হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের তালিকা


    একজন কিডনি বিশেষজ্ঞ হলেন এক ধরণের ডাক্তার যিনি কিডনির অবস্থার নির্ণয় এবং চিকিত্সার উপর ফোকাস করেন। কিডনি বিশেষজ্ঞরাও শরীরের বাকি অংশে কিডনির কার্যকারিতার প্রভাব পরিচালনা করতে প্রশিক্ষণ পান।

    একজন কিডনি বিশেষজ্ঞ হলেন একজন মেডিকেল ডাক্তার যিনি কিডনির যত্ন এবং কিডনির রোগের চিকিৎসায় বিশেষজ্ঞ। কিডনি বিশেষজ্ঞরা অভ্যন্তরীণ রোগ গুলোর উপর শিক্ষিত এবং প্রশিক্ষিত হন এবং তারপরে কিডনি রোগে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় বিশেষজ্ঞ হওয়ার জন্য আরও প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন।

    আরও বিস্তারিত জানতে এবং সরাসরি ডাক্তারের পরামর্শের জন্য কল করুন - ০১৭৪০৪৮৬১২৩ (সকাল ১০:০০ টা হতে সন্ধ্যা ০৭:০০ টা, শুক্রবার ব্যাতিত)

    তারা সাধারণত দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগ (সিকেডি), পলিসিস্টিক কিডনি রোগ (পিকেডি), তীব্র রেনাল ব্যর্থতা, কিডনিতে পাথর এবং উচ্চ রক্তচাপের চিকিৎসা করে এবং কিডনি প্রতিস্থাপন এবং ডায়ালাইসিসের সমস্ত দিক সম্পর্কে শিক্ষিত।

    তারা ডায়াগনস্টিক পরীক্ষা করতে পারে এবং কিডনি সম্পর্কিত অবস্থার চিকিৎসা করতে পারে। কিডনির অবস্থার জন্য সাধারণত মেডিকেল ঝুঁকির কারণগুলির মধ্যে রয়েছে- বিপাকীয় অবস্থা যেমন ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হার্টের অবস্থা।

    একজন ডাক্তার কাউকে নেফ্রোলজিস্টের কাছে রেফার করতে পারেন যদি তারা বিশ্বাস করেন যে ব্যক্তি কিডনি সমস্যার লক্ষণ দেখায়, যেমন কিডনি রোগ, সংক্রমণ বা বৃদ্ধি।


    যে সকল রোগের চিকিৎসা দিয়ে থাকেন -

    ★ ভাস্কুলাইটিস

    ★ টিউবুলার ত্রুটি

    ★ গ্লোমেরুলার অবস্থা

    ★ দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগ

    ★ অটোইমিউন অবস্থা

    ★ কিডনি সংক্রমণ

    ★ কিডনি ভাস্কুলার অবস্থা

    ★ টিউবুলোইনটারস্টিশিয়াল কিডনি রোগ

    ★ কিডনি নিওপ্লাজম

    ★ কিছু বিপাকীয় ব্যাধি


    কিডনি বিশেষজ্ঞ সম্পর্কিত সাধারণ জিজ্ঞাসা

    ১. কিডনি বিশেষজ্ঞ ডাক্তার কে?
    উত্তর: কিডনি বিশেষজ্ঞ বা নেফ্রোলজিস্ট (Nephrologist) হলেন একজন চিকিৎসক যিনি কিডনির বিভিন্ন রোগ যেমন কিডনি ফেইলিউর, কিডনির ইনফেকশন, কিডনি স্টোন, উচ্চ রক্তচাপজনিত কিডনি সমস্যা ইত্যাদির চিকিৎসায় বিশেষজ্ঞ।

    ২. কখন কিডনি বিশেষজ্ঞের কাছে যাওয়া উচিত?
    উত্তর: পা ও চোখ ফোলা, প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যাওয়া, প্রস্রাবে ফেনা বা রক্ত আসা, ঘনঘন প্রস্রাব, উচ্চ রক্তচাপ বা ডায়াবেটিস থাকলে কিডনি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।

    ৩. কিডনি বিশেষজ্ঞ কী ধরনের চিকিৎসা দেন?
    উত্তর:

    • কিডনি ফাংশন পর্যবেক্ষণ

    • ডায়ালাইসিস ব্যবস্থাপনা

    • কিডনি ইনফেকশন চিকিৎসা

    • কিডনি রোগ প্রতিরোধে জীবনধারা পরামর্শ

    • কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট প্রস্তুতি ও পরামর্শ

    ৪. কিডনি রোগ নির্ণয়ের জন্য কোন কোন পরীক্ষা প্রয়োজন হতে পারে?
    উত্তর:

    • সেরাম ক্রিয়েটিনিন

    • ইউরিয়া ও ইলেক্ট্রোলাইট

    • ইউরিন R/E

    • ইসিজি, আলট্রাসনোগ্রাম (কিডনি)

    • ২৪ ঘণ্টার ইউরিন টেস্ট

    • জি এফ আর (GFR) ইত্যাদি।


     

    • Category : Doctors
    • 2022-02-26
    • Views : 18999
  • পিওথলিতে পাথর

    পিওথলিতে পাথর হওয়ার কারণ, উপসর্গ ও চিকিৎসা

    পিত্তথলির পাথর (Gallstone) হলো পিত্তাশয়ের এমন একটি রোগ যাতে মানুষের পিত্তাশয়ে পাথর জমা হয়। এটি কোলেলিথিয়াসিস নামে চিকিৎসা বিজ্ঞানে পরিচিত। উন্নত দেশে প্রায় ১০-২০% প্রাপ্তবয়স্ক লোক এই রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ২০ মিলিয়ন ব্যক্তির পিত্তথলিতে পাথর পাওয়া যায়, যার মোট ওজন হতে পারে প্রায় ২৫-৫০ টন! 

    ৮০% এরও বেশি ক্ষেত্রে এটি কোন জটিলতা বা সমস্যার সৃষ্টি করে না। মানব শরীরে মূলত কোলেস্টেরল ও পিগমেন্ট এই দুই ধরনের পাথর পাওয়া যায়। উন্নত বিশ্বে ৯০% পাথরই কোলেস্টেরল দিয়ে তৈরি; বাদবাকি পিগমেন্ট পাথর এবং অনেকসময় মিশ্র পাথরও পাওয়া যায়। তবে পিগমেন্ট পাথরের প্রাদুর্ভাবটা এশিয়া মহাদেশে বেশি পাওয়া যায়।

    আরও বিস্তারিত জানতে এবং সরাসরি ডাক্তারের পরামর্শের জন্য কল করুন - ০১৭৪০৪৮৬১২৩

    পিত্তথলিতে পাথর হওয়া খুবই পরিচিত একটি সমস্যা। পিত্তথলিতে পাথর হয়েছে কথাটি এখন প্রায়ই শোনা যাচ্ছে এবং এমন রোগীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। পিত্তথলিতে পাথরের সমস্যা আমাদের অনেকেরই হয়ে থাকে কিন্তু অনেকেই পিত্তথলিতে পাথর হয়েছে এমনটি বুঝতে পারে না। এমনকি তার লক্ষণও প্রকাশ পায় না। দেহে নীরবেই এর প্রতিক্রিয়ায় নানা রোগ ডেকে আনতে পারে। 

    সুতরাং দেহের সুস্থতা বজায় রাখার জন্য সচেতন ও সতর্কতা প্রয়োজন। রোগ সৃষ্টির শুরুতেই অবশ্যই চিকিৎসা করা অতি প্রয়োজন। আপনার অবহেলা বা অযত্নে মারাত্মক বিপদ ডেকে আনতে পারে। কিন্তু এই পাথর কি সত্যি সত্যি রাস্তার কুড়িয়ে পাওয়া নুড়ি পাথরের মতো, নাকি অন্য কিছু? আর কীভাবেই বা জানতে পারবেন যে আপনার পিত্তথলিতে পাথর হতে পারে? আসুন তাহলে জেনে নেয়া যাক পিওথলিতে পাথর হওয়ার কারণ, উপসর্গ ও চিকিৎসা সম্পর্কে কিছু তথ্য।

    অবস্থান 

    পিত্তথলি মানব দেহের বুকের পাজরের ডান দিকে পেটের ওপরে অংশের যকৃত বা লিভার বা কলিজার নিচে যুক্ত থাকে।

    পিত্তথলির কার্যপ্রক্রিয়া

    যকৃত বা লিভারে পিত্তরস বা বাইল তৈরি হয়। ছোট নালীর মাধ্যমে এই রস পিত্তথলিতে জমা হয়। আমরা যখন চর্বি জাতীয় খাবার খাই তখন কোলেসিস্টোবাইনিন নামে এক ধরনের হরমোন নিঃসরণ হয়। এই হরমোনের প্রভাবে পিত্তথলি সঙ্কোচিত হয় এবং জমা থাকা রস বের করে দেয়। পরে এই রস ক্ষুদ্রাতন্ত্রে গিয়ে খাদ্য হজমে সাহায্য করে।

    পিত্তথলিতে পাথর আসলে কী?

    পিত্তথলির পাথর আসলে ছোট ছোট বালুর দানার মতো থেকে শুরু করে মটরের দানা বা তার চেয়েও বড় শক্ত দানাদার বস্তু, যা বিভিন্ন রঙের ও বিভিন্ন আকৃতির হতে পারে। এটা নির্ভর করে কী পদার্থ দিয়ে পাথরটা তৈরি তার ওপর। কোলেস্টেরল, বিলিরুবিন বা ক্যালসিয়াম ইত্যাদি পদার্থের সংমিশ্রণে তৈরি এই পাথরগুলো পিত্তরসের সঙ্গে মেশানো অবস্থায় থাকে এবং হালকা বাদামি, ময়লাটে সাদা বা কুচকুচে কালো রঙেরও হতে পারে।

    পেটের ডানদিকে যকৃতের পেছনে ও তলার দিকে থাকে পিত্তথলি। খাবার হজমে, বিশেষ করে চর্বিজাতীয় খাবার হজম করতে পিত্তরস দরকার হয়। নানা কারণে এই পিত্তথলিতে বিভিন্ন পদার্থ অতিরিক্ত জমে গিয়ে পাথরের সৃষ্টি করে।

    সরাসরি পরামর্শ নিতে যোগাযোগ করুন - ০১৭৪০-৪৮৬১২৩

    পিত্তথলিতে পাথর কেন হয়?

    লিভার থেকে তৈরি পিত্ত রস বা বাইল পিত্তথলি জমা রাখে এবং চর্বি জাতীয় খাবার খেলে হজমের জন্য পিত্তরস পিত্তথলি থেকে বেরিয়ে আমাদের খাদ্য নালিতে আসে এবং হজমে সহায়তা করে। পিত্তরস পিত্তথলিতে থাকার সময়কালে পিত্তরস তথা বাইলের কিছু পরিবর্তন সাধিত হয়। পিত্তরস হলুদ রঙের তরল পদার্থ। এতে থাকে কোলেস্টেরল, ক্যালসিয়াম, লবণ, এসিড ও অন্যান্য রাসায়নিক উপাদান। এই পিত্তরসের বিভিন্ন উপাদান দিয়ে তৈরি হয় পিত্তথলির পাথর। 

    পিওথলিতে পাথর সার্জারী এর অত্যাধুনিক চিকিৎসা সম্পর্কে ফ্রী পরামর্শ পেতে "সিরিয়াল বুক করুন"

    পিত্ত একটি তরল পদার্থ যার মধ্যে কিছু কঠিন পদার্থ থাকে। তরল পদার্থের পরিমাণ কমে গেলে কঠিন পদার্থের পরিমাণ বেড়ে গেলে পাথর হতে পারে। আর কোনো কারণে যদি পিত্তথলির সঙ্কোচন ও প্রসারণের ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায় তাহলে পিত্তথলিতে পাথর হতে পারে। তাছাড়া চিকিৎসক ও গবেষকদের মতে যারা চর্বি জাতীয় খাবার বেশি খায়, ভেজাল খাবার খান, ডায়াবেটিস আছে, লিভারের রোগে আক্রান্ত, যেসব নারী বারবার গর্ভবর্তী হন, যারা মোটা ও ওজন বেশি তাদের পিত্তথলিতে পাথর হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

    রোগটি কাদের বেশি হয়?

    স্থূল ও ওজনাধিক্য ব্যক্তিদের পিত্তথলিতে পাথর বেশি হতে দেখা যায়। পুরুষদের তুলনায় নারীদের এই প্রবণতা বেশি। এ ছাড়া চল্লিশোর্ধ্ব বয়স, জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি খাবার অভ্যাস, অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত খাদ্য গ্রহণ ইত্যাদি এই ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।

    পিত্তথলিতে পাথরের কিছু উপসর্গ -

    • পিত্তথলিতে পাথর হলে এতে প্রদাহ হয়, যাকে কোলেসিস্টাইটিস বলা হয়। তখন পেটের ডানদিকে তীব্র ব্যথা হতে পারে। এই ব্যথা মিনিট খানেক থেকে ঘণ্টাখানেক স্থায়ী হতে পারে। 
    • পেটের পেছন দিকে, কাঁধে, পেটের মাঝ বরাবর এমনকি বুকের ভেতরও ধীরে ধীরে ব্যথা ছড়িয়ে পড়তে পারে। সেই সঙ্গে বমিভাব বা বমি, হালকা জ্বর দেখা দিতে পারে। 
    • অনেক সময় পিত্তথলি থেকে পাথর বেরোতে গিয়ে পিত্তনালিতে আটকে যায় এবং তখন বিলিরুবিনের বিপাক ক্রিয়া বন্ধ হয়ে যাওয়ার দরুন জন্ডিসও হতে পারে। 
    • রোগ নির্ণয়ের জন্য এই উপসর্গের পাশাপাশি পেটের আলট্রাসনোগ্রাম যথেষ্ট। পাথরের অবস্থান জানতে বা প্রয়োজনে বের করতে ইআরসিপি জাতীয় পরীক্ষা করা যেতে পারে। 
    • আলসার, যকৃতের কোনো সমস্যা এমনকি হৃদরোগেও এ উপসর্গের কাছাকাছি ধরনের ব্যথা হতে পারে বলে সেগুলোর অবস্থাও নির্ণয় করে নেয়া খুবই প্রয়োজন।
    • গলব্লাডারের মূল লক্ষণ পেটের ডান দিক থেকে ব্যথা শুরু হয়ে ডান কাঁধ পর্যন্ত পৌঁছায়। এরকম হলে অতি অবশ্যই চিকিৎসকের কাছে যান।

    চিকিৎসা

    প্রদাহ ও তীব্র ব্যথার সময় কোনো অস্ত্রোপচার করা হয় না। এ অবস্থায় সাধারণত কয়েক দিনের জন্য মুখে খাদ্য গ্রহণ বন্ধ করে দিয়ে স্যালাইন, অ্যান্টিবায়োটিক ও ব্যথানাশক ওষুধ দিয়ে প্রাথমিক উপশমের চেষ্টা করা হয়। পিত্তথলি ফেলে দেয়ার অস্ত্রোপচার সপ্তাহ দুয়েক পর বা দু-তিন মাস পর করলেও ক্ষতি নেই। তবে পিত্তনালিতে পাথর আটকে গিয়ে থাকলে ইআরসিপি যন্ত্রের সাহায্যে পাথর বের করে আনা হয়।

    বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মতে পিত্তথলির পাথরে চিকিৎসার প্রধান উপাদান হলো অপারেশন। অপারেশন দুই ভাবে করা যায়:  

    ১) সরাসরি পেট কেটে

    ২) লেপারস্কোপিক মেশিনের সাহায্যে।

    আধুনিক চিকিৎসা জগতে লেপারস্কোপিক পদ্ধতি খুবই সুবিধাজনক। ল্যাপারস্কোপির অর্থ হলো ক্যামেরা দিয়ে দেখা। পেটের যে অংশে পিত্তথলি অবস্থিত সেখানে ছোট ছোট ছিদ্র করে সূক্ষ্ম সরু যন্ত্র দিয়ে পিত্তথলির পাথর অপসারণ করা হয়। এতে অপারেশনের পর ব্যথা ও রক্তক্ষরণ কম হয়। রোগী দুই একদিনের মধ্যে ভালো হয়ে যায়।

    আরোও পড়ুন - ঢাকায় পিত্তথলির পাথর অপারেশন খরচ কত?

    সতর্কতা 

    শরীরের যেকোনো রোগের জন্য কোনো ওষুধ নিজে নিজে খাবেন না। অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ মতে ওষুধের মাত্রা বুঝে সময়মতো ওষধু খাবেন এবং চলবেন।

     

    আরোও বিস্তারিত জানতে এবং সরাসরি ডাক্তারের পরামর্শ নিতে যোগাযোগ করুন - ০১৭৪০-৪৮৬১২৩

     

     

  • ঠোঁটে কোনায় ঘা হওয়ার কারণ ও পরিত্রাণের উপায়

    ঠোঁটে কোনায় ঘা হওয়ার কারণ ও পরিত্রাণের উপায়

    আমরা প্রায়ই আমাদের ঠোঁটে এক ধরনের ক্ষত দেখতে পাই যাকে আমরা ঠোঁটের ঘা বলে থাকি। অনেকের মাঝে মধ্যে ঠোঁটের দুই কোণে কিংবা এক কোণে ফাটা ঘা হতে দেখা যায়। যদিও এমন ঘা সাধারণত গুরুতর কিছু নয়। জ্বর, সর্দিকাশির পর মুখে একধরনের ঘা হতে পারে। চিকিৎসাবিজ্ঞানে এ রোগের নাম এঙ্গুলার চিলাইটিস। এটি বিভিন্ন কারণে হয়ে থাকে। মাঝে মাঝে এ নিয়ে প্রচুর অস্বস্তিতে পড়তে হয়। এটা বিব্রতকর, দেখতে খারাপ দেখায়; আবার বেদনাদায়কও হতে পারে। আজকে আমরা জানবো ঠোঁটে ঘা হওয়ার কারণ ও পরিত্রাণের কিছু উপায়।

    যেকোনো বয়সের নারী-পুরুষ এই এঙ্গুলার চিলাইটিস রোগে আক্রান্ত হতে পারেন । পান, সুপারি, সাদাপাতা বা তামাকের দীর্ঘদিন সেবন, এমনকি মুখে গুল এর ব্যবহারেও হতে পারে এমন সমস্যা। এঙ্গুলার চিলাইটিস রোগটিতে পানমসলা খাওয়ার অভ্যাসেও আক্রান্ত হতে পারেন । বয়স্ক ব্যক্তিরা কেউ কেউ মুখে ডেনচার ব্যবহার করেন বা তাঁদের মুখের কোণে ত্বক ঝুলে যেতে পারে। এ কারণেও ঠোঁটের কোণে ঘা হয়।

    মুখে শুষ্কতার কারণে ঠোঁটের কোণে ফেটে যায়। কখনো কখনো ব্যাকটেরিয়া বা ছত্রাক ফাটা অংশে প্রবেশ করে, যা প্রদাহ বা সংক্রমণের কারণ হতে পারে। এ ছাড়া এটোপিক ডার্মাটাইটিস বা অ্যাকজিমা, ডেনচার মুখে সেট না হওয়া, ঘুমন্ত অবস্থায় লালা পড়া, মুখে ছত্রাকের সংক্রমণ, আঁকাবাঁকা দাঁত, ত্বকের অ্যালার্জি, শিশুদের ক্ষেত্রে আঙুল চোষা, এমনকি মুখে দীর্ঘ সময় মাস্ক পরার কারণেও এ ধরনের ঘা হতে পারে।

    সরাসরি ডাক্তারের পরামর্শ নিতে যোগাযোগ করুন - ০১৭৪০-৪৮৬১২৩

    আপনার যদি ডায়াবেটিস বা অন্ত্রের প্রদাহজনক রোগ থাকে, রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কম থাকে, শরীরে ভিটামিন বি, আয়রন বা প্রোটিনের ঘাটতি হলে দ্রুত ওজন হ্রাস বা বার্ধক্যজনিত কারণে, ধূমপান করলে কিংবা অতিরিক্ত মানসিক চাপ থাকলে এ রোগের ঝুঁকি বাড়বে। এঙ্গুলার চিলাইটিস হলে ঘায়ের সঙ্গে রক্তপাত, ফোসকা, ত্বক ফেটে যাওয়া, খসখসে, লালচে রং, ফোলাভাব ও চুলকানি হতে পারে।

    প্রতিকার ও প্রতিরোধ -

    এঙ্গুলার চিলাইটিস কী কারণে হয়েছে তার ওপর নির্ভর করবে আপনার চিকিৎসা। কিছু অ্যান্টিবায়োটিক সেবনে বা ত্বকে ব্যবহারে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ কমায়। দাঁতে ডেনচার ঠিকভাবে সেট করা জরুরি। আঁকাবাঁকা দাঁত ঠিক করতে আধুনিক চিকিৎসা নিতে পারেন। পুষ্টির স্বল্পতা থাকলে খাদ্যতালিকায় প্রোটিন, আয়রন ও ভিটামিন বি-সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে। খাবারের সঙ্গে সঙ্গে ভিটামিন বি-জাতীয় ওষুধ খেতে হবে। 

    অ্যান্টিফাঙ্গাল ক্রিম বা টপিক্যাল স্টেরয়েড ঠোঁটের ফাটা কোণে ফোলাভাব ও ব্যথা উপশম করে। তবে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শে ব্যবহার করতে হবে। লিপ বাম বা পেট্রোলিয়াম জেলি আপনার ঠোঁটের কোণের ত্বককে আর্দ্র ও সুরক্ষিত রাখবে। এঙ্গুলার চিলাইটিসে আক্রান্ত হলে চিকিৎসা নেওয়ার পাশাপাশি ঠোঁটের কোণে বরফ দিতে পারেন। মসলাদার খাবার এড়িয়ে চলুন। এতে ব্যথা, ফোলা ও জ্বালাপোড়া কমবে। রোদ ও খুব ঠান্ডা বাতাস থেকে দূরে থাকুন।

    ত্বকের অ্যালার্জি আছে, এমন সংস্পর্শ এড়িয়ে চলুন। স্বাস্থ্যকর খাবার খান এবং প্রচুর পানি পান করুন। আপনার ঠোঁট আর্দ্র রাখার চেষ্টা করুন। ধূমপান বা তামাকজাত পণ্য, পান, সুপারি, জর্দা এড়িয়ে চলুন। বারবার ঠোঁট জিব দিয়ে ভেজানোর অভ্যাস থাকলে ত্যাগ করুন। মেয়াদোত্তীর্ণ প্রসাধনী ব্যবহার করবেন না।

    ঠোঁটের ঘা সাধারণত গুরুতর হয় না। চিকিৎসা শুরুর প্রায় দুই সপ্তাহের মধ্যে সেরে যায়। তবে গুরুতর অবস্থায় চিকিৎসা না করালে ত্বকে দাগ বা ত্বক পাতলা হতে পারে। চিকিৎসার পরও আবার দেখা দিতে পারে রোগটি। কারও ক্ষেত্রে এই ঘা দীর্ঘদিন পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। এমনকি সারা জীবন এ অবস্থা চলতে পারে। তাই প্রয়োজন সঠিক ব্যবস্থাপনার মধ্য দিয়ে রোগটি নিয়ন্ত্রিত রাখা।

    সরাসরি ডাক্তারের পরামর্শ নিতে যোগাযোগ করুন - ০১৭৪০-৪৮৬১২৩

    ঠোঁটের ঘা পরিত্রাণে ৬টি ঘরোয়া উপায় -

    • তুলসি পাতা

    এক মুঠো তুলসি পাতা, ৪-৮ কাপ পানির মধ্যে তুলসি পাতা দিয়ে ১০ মিনিট ধরে ফুটিয়ে নিন। এবার পানি ছেকে নিয়ে ক্ষত স্থানে লাগিয়ে নিন এবং ২ মিনিট পর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে নিন।

    • নারকেল তেল

    একটু নারকেল তেল পরিস্কার আঙ্গুলে নিয়ে ক্ষত স্থানে লাগান। আপনি ইচ্ছা করলে এর সাথে সামান্য মোম মিক্স করে লাগাতে পারেন।

    • লবঙ্গ তেল

    অলিভ অয়েল হাফ চা চামচ, লবঙ্গ গুঁড়া ১ টি, কটন বল, গরম পানি। প্রথমে ক্ষত স্থানে গরম পানির ভাব নিন। এরপর লবঙ্গ এবং অলিভ অয়েল একত্রে হাল্কা গরম করে ঠাণ্ডা করে কটন বলে তেল নিয়ে ৫ মিনিট ক্ষত স্থানে লাগিয়ে নিন।

    • মধু

    আমরা সবাই মোটামুটি জানি যে মধুতে এন্টি ব্যাকটেরিয়া থাকে। দিনে কমপক্ষে ৩ বার ক্ষত স্থানে মধু লাগান। এতে খুব তাড়াতাড়ি কাজ হয়।

    • অ্যালভেরা জেল

    ১ টেবিল চামচ অ্যালভেরা জেল, ১ টেবিল চামচ পানি। দুটি উপাদান ভালভাবে মিক্স করে দিনে ৩ বার ক্ষত স্থানে লাগান। এতে ব্যথা এবং জ্বালা ভাব কমে যাবে।

    • কুসুম গরম লবণ পানি

    ১/৪ কাপ গরম পানি, ১/২ চা চামচ লবণ। এটি ভালোভাবে মিক্স করে দিনে ২ বার ক্ষত স্থানে লাগান যতক্ষণ পর্যন্ত সেরে না যায়।

    ক্ষত সারানোর জন্য উপরের উপাদানগুলো ট্রাই করুন। ক্ষত থাকা কালীন এসিডিক খাবার না খাওয়াই ভাল। ফ্রেশ টক দই খেতে পারেন। ক্ষতে বেশি হাত দেয়া থেকে বিরত থাকুন।

     

    আরোও বিস্তারিত জানতে এবং সরাসরি ডাক্তারের পরামর্শ নিতে যোগাযোগ করুন - ০১৭৪০-৪৮৬১২৩

     

  • জেনারেল সার্জন বিশেষজ্ঞ, Piles, Hernia Treatment

    ঢাকার জেনারেল সার্জন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের তালিকা

    পেটের সমস্যা, গলগন্ড, হার্নিয়া, অ্যাপেন্ডিসাইটিস, পাইলসসহ বিভিন্ন সাধারণ অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হলে একজন দক্ষ জেনারেল সার্জারি বিশেষজ্ঞ ডাক্তার ঢাকা শহরে খুঁজে পাওয়াটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এসব শল্যচিকিৎসার সঠিক সিদ্ধান্ত, দক্ষ অপারেশন এবং পরবর্তী যত্ন রোগীর সুস্থতার জন্য অত্যন্ত জরুরি।

    এই ব্লগে আমরা আলোচনা করব ঢাকার সেরা জেনারেল সার্জারি ডাক্তার, যাঁরা অভিজ্ঞ জেনারেল সার্জন ডাক্তার হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে সফলভাবে চিকিৎসা দিয়ে আসছেন। আপনি যদি নির্ভরযোগ্য ও অভিজ্ঞ জেনারেল সার্জন খুঁজছেন, তাহলে এই গাইডটি আপনার জন্য হবে কার্যকর একটি সহায়িকা।


    ঢাকার জেনারেল সার্জন ডাক্তারের তালিকা নিম্নে দেয়া হলো -



    অধ্যাপক (কর্নেল) ডাঃ মোঃ তারিকুল ইসলাম

    জেনারেল, ল্যাপারোস্কোপিক, অনকোলজি ও কোলোরেক্টাল সার্জারী বিশেষজ্ঞ
    এমবিবিএস, এফসিপিএস (সার্জারি)
    ফেলো সার্জিক্যাল অনকোলজি (জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ও হাসপাতাল, ঢাকা)
    জেনারেল, ল্যাপারোস্কোপিক ও অনকোলজি সার্জন, সিএমএইচ, ঢাকা।
    পিত্তথলীর পাথর, এ্যাপেন্ডিক্স, হার্নিয়া, পাইলস, ফিস্টুলা, টিউমার, স্তন, পায়ুপথ ও ক্যান্সার সার্জারী বিশেষজ্ঞ।

    চেম্বারের ঠিকানা: প্লট-১০, রোড-৪/৫, ব্লক-বি, সেকশন-১২, কালশী রোড, ঢাকা-১২১৬।

    ডাক্তারের প্রোফাইল দেখতে ক্লিক করুন

    সিরিয়ালের জন্য কল করুন: ০১৭৪০-৪৮৬১২৩ (সকাল ০৮:০০ টা হতে সন্ধ্যা ০৭:০০ টা, শুক্রবার ব্যাতিত)



    ডাঃ শানজীদাহ্ হক

    সার্জারী বিশেষজ্ঞ, জেনারেল, ল্যাপারোস্কোপিক, ব্রেস্ট ও কোলোরেক্টাল সার্জারী বিশেষজ্ঞ

    এমবিবিএস (ডিইউ), এফসিপিএস (সার্জারি), সিসিডি, মেম্বার অফ এসইএলএসবি সার্জারি বিশেষজ্ঞ, এভার কেয়ার হাসপাতাল

    পাইলস, ফিস্টুলা, টিউমার, স্তন ও পায়ুপথ সার্জারী বিশেষজ্ঞ।

    চেম্বারের ঠিকানা:প্লট-১০, রোড-৪/৫, ব্লক-বি, সেকশন-১২, কালশী রোড, ঢাকা-১২১৬।

    ডাক্তারের প্রোফাইল দেখতে ক্লিক করুন

    সিরিয়ালের জন্য কল করুন ০১৭৪০-৪৮৬১২৩ (সকাল ১০:০০ টা হতে সন্ধ্যা ০৭:০০ টা, শুক্রবার ব্যাতিত



    অধ্যাপক ডাঃ এ কে এম শামসুদ্দিন

    পেডিয়াট্রিক, জেনারেল, ল্যাপারোস্কোপিক, ব্রেস্ট ও কোলোরেক্টাল সার্জারী বিশেষজ্ঞ । 

    এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য) এমএস (বিএসএমএমইউ), এফএসিএস (আমেরিকা), এম.মেড (মেডিকেল এডুকেশন)
    পেডিয়াট্রিক, জেনারেল ও  ল্যাপারোস্কোপিক সার্জন । 
    অধ্যাপক, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। 
    পিত্তথলীর পাথর, এ্যাপেন্ডিক্স, হার্নিয়া, পাইলস, ফিস্টুলা, টিউমার, স্তন, পায়ুপথ ও শিশু সার্জারী বিশেষজ্ঞ।

    চেম্বারের ঠিকানা: প্লট-১০, রোড-৪/৫, ব্লক-বি, সেকশন-১২, কালশী রোড, ঢাকা-১২১৬।

    ডাক্তারের প্রোফাইল দেখতে ক্লিক করুন

    সিরিয়ালের জন্য কল করুন: ০১৭৪০-৪৮৬১২৩ (সকাল ০৮:০০ টা হতে সন্ধ্যা ০৭:০০ টা, শুক্রবার ব্যাতিত)


    প্রফেসর ডাঃ মোঃ আতিয়ার রহমান 

    জেনারেল সার্জন

    এমবিবিএস, এফসিপিএস, এমআরসিএস (ইংল্যান্ড), এফআরসিএস (গ্লাসগো) জেনারেল ল্যাপারোস্কোপিক এবং হেপাটোবিলিয়ারি সার্জন রেকটাল ও ব্রেস্ট সার্জারিতে বিশেষভাবে প্রশিক্ষিত প্রাক্তন সহযোগী অধ্যাপক (সার্জারি) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (পিজি হাসপাতাল), ঢাকা।

    চেম্বারের ঠিকানা: মিরপুর 11, কেন্দ্রীয় মসজিদ, বাসস্ট্যান্ড মিরপুর, ঢাকা 1216।

    ডাক্তারের প্রোফাইল দেখতে ক্লিক করুন

    সিরিয়ালের জন্য কল করুন: ০১৭৪০-৪৮৬১২৩ (সকাল ০৮:০০ টা হতে সন্ধ্যা ০৭:০০ টা, শুক্রবার ব্যাতিত)



    ডাঃ মােঃ আনিসুর রহমান 

     জেনারেল, ল্যাপারোস্কোপিক সার্জারী বিশেষজ্ঞ

    এমবিবিএস (ঢাকা মেডিকেল কলেজ), বিসিএস (স্বাস্থ্য), এফসিপিএস (সার্জারী), কনসালটেন্ট সার্জারী, জেনারেল, ল্যাপারােস্কোপিক, ব্রেস্ট এন্ড কোলােরেক্টাল সার্জন, শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।

    চেম্বারের ঠিকানা: প্লট-১০, রোড-৪/৫, ব্লক-বি, সেকশন-১২, কালশী রোড, ঢাকা-১২১৬।

    ডাক্তারের প্রোফাইল দেখতে ক্লিক করুন

    সিরিয়ালের জন্য কল করুন ০১৭৪০-৪৮৬১২৩ (সকাল ১০:০০ টা হতে সন্ধ্যা ০৭:০০ টা, শুক্রবার ব্যাতিত)



    সহযোগী অধ্যাপক লেঃ কর্নেল ডাঃ মুহাম্মদ আলম

    কোলোরেক্টাল ল্যাপারোস্কোপি সার্জন, জেনারেল সার্জন, ইউরোলজিস্ট ও সার্জারি বিশেষজ্ঞ

    এমবিবিএস, এফসিপিএস (সার্জারি) এমসিপিএস (সার্জারি), এমআরসিএস (ইংল্যান্ড), এফএমএসএস (ভারত), ডিএমএএস (ভারত), ইউরোলজিস্ট, জেনারেল এবং ল্যাপারোস্কোপিক সার্জন, সার্জারি বিশেষজ্ঞ, ইউরোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক, সিএমএইচ, ঢাকা।

    চেম্বারের ঠিকানা: বাড়িঃ ২৪, রোডঃ ৮, ব্লকঃ এ, বকশীগঞ্জ টাওয়ার মিরপুর-১২ বাসস্ট্যান্ড (সাউথ পয়েন্ট স্কুলের দক্ষিণ পাশে)।

    ডাক্তারের প্রোফাইল দেখতে ক্লিক করুন

    সিরিয়ালের জন্য কল করুন ০১৭৪০-৪৮৬১২৩ (সকাল ১০:০০ টা হতে সন্ধ্যা ০৭:০০ টা, শুক্রবার ব্যাতিত)



    ডাঃ মোঃ সাইফুল ইসলাম

    ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ, জেনারেল সার্জন, সার্জারি বিশেষজ্ঞ ও হাঁপানি বিশেষজ্ঞ

    এমবিবিএস, এমএস (সার্জারি), সার্জারি বিশেষজ্ঞ, কলোরেক্টাল, হেপাটোবিলিয়ারি, ল্যাপারোস্কোপিক এবং জেনারেল সার্জারি, মলদ্বার এবং পায়ূ অস্ত্রোপচারের উন্নত প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত।

    চেম্বারের ঠিকানা: ৬১৩/২, বেগম রোকেয়া সরণি (সোনালী ব্যাংকের বিপরীতে, হাতিল ফার্নিচারের ২০০ গজ দক্ষিণে) কাজীপাড়া, মিরপুর, ঢাকা-১২১৭।

    ডাক্তারের প্রোফাইল দেখতে ক্লিক করুন

    সিরিয়ালের জন্য কল করুন ০১৭৪০-৪৮৬১২৩ (সকাল ১০:০০ টা হতে সন্ধ্যা ০৭:০০ টা, শুক্রবার ব্যাতিত)



    সহকারী অধ্যাপক ডাঃ ইসমত জাহান লিমা 

    স্তন সার্জন, কোলোরেক্টাল ল্যাপারোস্কোপি সার্জন, জেনারেল সার্জন ও সার্জারি বিশেষজ্ঞ

    এমবিবিএস, এফসিপিএস (সার্জারি) স্বর্ণপদক, এমএস (কলোরেক্টাল সার্জারি) আমেরিকান কলেজ অফ সার্জনস, জেনারেল এবং কোলোরেক্টাল সার্জারি বিশেষজ্ঞ

    চেম্বারের ঠিকানা: প্লট নং-১০, রোড- ৪/৫, ব্লক-বি, সেকশন-১২, মিরপুর, ঢাকা-1216।

    ডাক্তারের প্রোফাইল দেখতে ক্লিক করুন

    সিরিয়ালের জন্য কল করুন ০১৭৪০-৪৮৬১২৩ (সকাল ১০:০০ টা হতে সন্ধ্যা ০৭:০০ টা, শুক্রবার ব্যাতিত)



    সহকারী অধ্যাপক ডাঃ নীলিমা জাহান

    স্তন সার্জন, কোলোরেক্টাল ল্যাপারোস্কোপি সার্জন, জেনারেল সার্জন ও সার্জারি বিশেষজ্ঞ

    এমবিবিএস, এফসিপিএস (সার্জারি), সহকারী অধ্যাপক - সার্জারি বিভাগ, স্তন ও কোলোরেক্টাল সার্জারি, শহীদ সেহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।

    চেম্বারের ঠিকানা: ১৫০, বেগম রোকেয়া সরণী, সেনপাড়া পর্বতা, মিরপুর-১০, ঢাকা-১২১৬ ।

    ডাক্তারের প্রোফাইল দেখতে ক্লিক করুন

    সিরিয়ালের জন্য কল করুন ০১৭৪০-৪৮৬১২৩ (সকাল ১০:০০ টা হতে সন্ধ্যা ০৭:০০ টা, শুক্রবার ব্যাতিত)



    ডাঃ মুহাম্মদ জহুরুল ইসলাম

    অর্থোপেডিক ও জেনারেল সার্জন

    এমবিবিএস (ঢাকা), বিসিএস (স্বাস্থ্য), ডি-অর্থো (বিএসএমএমইউ) এফসিপিএস-সার্জারি (এপিয়ার্ড) কনসালটেন্ট-অর্থোপেডিক সার্জারি বিভাগ শহীদ আহসানউল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতাল, টঙ্গী, গাজীপুর।

    চেম্বারের ঠিকানা: ৬১৩/২, বেগম রোকেয়া সরণি (সোনালী ব্যাংকের বিপরীতে, হাতিল ফার্নিচারের ২০০ গজ দক্ষিণে) কাজীপাড়া, মিরপুর, ঢাকা-১২১৭।

    ডাক্তারের প্রোফাইল দেখতে ক্লিক করুন

    সিরিয়ালের জন্য কল করুন ০১৭৪০-৪৮৬১২৩ (সকাল ১০:০০ টা হতে সন্ধ্যা ০৭:০০ টা, শুক্রবার ব্যাতিত)



    ডাঃ মোঃ খাদেমুল বাশার

    জেনারেল সার্জন ও সার্জারি বিশেষজ্ঞ

    এমবিবিএস, এফসিপিএস (সার্জারি) পরামর্শদাতা (সার্জারি) অ্যাডভান্সড ল্যাপারোস্কোপিক সার্জারি (ভারত) জেনারেল এবং ল্যাপারোস্কোপিক সার্জনদের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত

    চেম্বারের ঠিকানা: ৬১৩/২, বেগম রোকেয়া সরণি (সোনালী ব্যাংকের বিপরীতে, হাতিল ফার্নিচারের ২০০ গজ দক্ষিণে) কাজীপাড়া, মিরপুর, ঢাকা-১২১৭।

    ডাক্তারের প্রোফাইল দেখতে ক্লিক করুন

    সিরিয়ালের জন্য কল করুন ০১৭৪০-৪৮৬১২৩ (সকাল ১০:০০ টা হতে সন্ধ্যা ০৭:০০ টা, শুক্রবার ব্যাতিত)



    ডাঃ মোঃ আহসান হাবিব

    জেনারেল সার্জন ও সার্জারী বিশেষজ্ঞ

    এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এফসিপিএস (সার্জারি), জেনারেল এবং ল্যাপারোস্কোপিক বিশেষজ্ঞ এবং সার্জন, পেডিয়াট্রিক সার্জারি এবং সম্মিলিত সার্জারিতে উচ্চ প্রশিক্ষিত, সার্জিকাল অনকোলজি বিভাগ, জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট এবং হাসপাতাল।

    চেম্বারের ঠিকানা: প্লট নং-১০, রোড- ৪/৫, ব্লক-বি, সেকশন-১২, মিরপুর, ঢাকা-1216।

    ডাক্তারের প্রোফাইল দেখতে ক্লিক করুন

    সিরিয়ালের জন্য কল করুন ০১৭৪০-৪৮৬১২৩ (সকাল ১০:০০ টা হতে সন্ধ্যা ০৭:০০ টা, শুক্রবার ব্যাতিত)



    ডাঃ শাওন শাহরিয়ার

    জেনারেল সার্জন ও সার্জারী বিশেষজ্ঞ

    এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এফসিপিএস (সার্জারি), জেনারেল, ল্যাপারোস্কোপিক, লিভার, পিত্ত এবং অগ্ন্যাশয় সার্জন, সহকারী অধ্যাপক, হেপাটোবিলিয়ারি সার্জারি বিভাগ।

    চেম্বারের ঠিকানা: বাড়ী-১৬, রোড-১০, রূপনগর আর/এ, মিরপুর, ঢাকা ১২১৬।

    ডাক্তারের প্রোফাইল দেখতে ক্লিক করুন

    সিরিয়ালের জন্য কল করুন ০১৭৪০-৪৮৬১২৩ (সকাল ১০:০০ টা হতে সন্ধ্যা ০৭:০০ টা, শুক্রবার ব্যাতিত)


    জেনারেল সার্জন হলেন একজন চিকিত্সক যার রোগীর যত্ন এবং অস্ত্রোপচারের নয়টি প্রাথমিক উপায়ে রোগ নির্ণয়, প্রিঅপারেটিভ, অপারেটিভ এবং পোস্টঅপারেটিভ ম্যানেজমেন্টের সাথে সম্পর্কিত বিশেষ জ্ঞান এবং অভিজ্ঞতা রয়েছে।

    অস্ত্রোপচারের জন্য এনাটমি, ইমারজেন্সি, ইন্টেনসিভ কেয়ার, ইমিউনোলজি, মেটাবলিজম, নিউট্রিসন, প্যাথলজি, ফিজিওলজি, শক, রিসাসিটেশন এবং ক্ষত নিরাময়ের জ্ঞান প্রয়োজন।

    সাধারণ অস্ত্রোপচারের অনুশীলনকারী সার্জনরা অত্যন্ত দক্ষ সার্জন যারা সাধারণত অ্যাপেনডিসাইটিস, হার্নিয়াস, গলব্লাডার সার্জারি, পাকস্থলী এবং অন্ত্রের সমস্যার উপর কাজ করে। জেনারেল সার্জন রোগীর যত্ন সহকারে অস্ত্রোপচারের জন্য প্রশিক্ষিত। এর মধ্যে রোগ নির্ণয় করা অন্তর্ভুক্ত এবং পেলভিস, স্তন, ত্বক এবং নরম টিস্যু এবং অন্তঃস্রাবী সিস্টেম সহ খাদ্যনালী, পেট এবং এর বিষয়বস্তুর অস্ত্রোপচারের চিকিত্সা অন্তর্ভূক্ত।

    এতে মাথা ও ঘাড়ের সার্জারি, পেডিয়াট্রিক সার্জারি, সার্জিক্যাল ক্রিটিক্যাল কেয়ার, সার্জিক্যাল অনকোলজি, ট্রমা এবং বার্ন, ট্রান্সপ্ল্যান্ট এবং ভাস্কুলার সার্জারি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। জেনারেল সার্জারি, নাম সত্ত্বেও এটি আসলে একটি সার্জিক্যাল বিশেষত্ব। সাধারণ শল্যচিকিৎসকরা শুধুমাত্র সাধারণ অসুস্থতার জন্য অস্ত্রোপচার করেন না, তবে অস্ত্রোপচারের আগে, সময় এবং পরে রোগীর যত্নের জন্যও দায়ী থাকেন।


    যে সকল রোগের চিকিৎসা দিয়ে থাকেন -

    ★ গলস্টোন অপারেশন

    ★ অ্যাপেন্ডিক্স অপারেশন

    ★ পাইলস এবং ফিস্টুলা অপারেশন

    ★ স্ক্রোটাল/একপাশে অপারেশন

    ★ শরীরের অভ্যন্তরীণ এবং বহির্মুখী টিউমার অপারেশন

    ★ হাত, পা এবং মলদ্বারের জটিল অপারেশন

    ★ সিজারিয়ান অপারেশন সহ সব ধরনের সার্জারির বিশেষজ্ঞ


    জেনারেল সার্জারি বিশেষজ্ঞ সম্পর্কিত সাধারণ জিজ্ঞাসা

    ১. জেনারেল সার্জারি বিশেষজ্ঞ কে?
    উত্তর: জেনারেল সার্জারি বিশেষজ্ঞ হলেন একজন অভিজ্ঞ চিকিৎসক যিনি শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ যেমন পেট, ত্বক, হার্নিয়া, গলব্লাডার, অ্যাপেন্ডিক্স, স্তন, থাইরয়েড, পাইলস ইত্যাদির অস্ত্রোপচার বা অপারেশনে দক্ষ।

    ২. কাদের জেনারেল সার্জনের পরামর্শ নেওয়া উচিত?
    উত্তর: যাদের হেরনিয়া, গলব্লাডার স্টোন, অ্যাপেন্ডিসাইটিস, পাইলস, ফিস্টুলা, টিউমার, থাইরয়েড গ্লান্ড সমস্যা, বা অন্য কোনো অপারেশন প্রয়োজন—তাদের জেনারেল সার্জনের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

    ৩. জেনারেল সার্জারি কোন কোন রোগে প্রযোজ্য?
    উত্তর:

    • গলব্লাডার স্টোন (Gallstone)

    • অ্যাপেন্ডিক্স

    • হেরনিয়া

    • পাইলস / ফিস্টুলা

    • ব্রেস্ট টিউমার

    • থাইরয়েড সমস্যা

    • শরীরে টিউমার বা ফোঁড়া অপসারণ ইত্যাদি।

    ৪. জেনারেল সার্জন কি শুধুই অপারেশন করেন?
    উত্তর: না, জেনারেল সার্জন অপারেশনের প্রয়োজনীয়তা নির্ধারণের পাশাপাশি রোগের প্রাথমিক চিকিৎসাও করেন এবং রোগীকে সার্জারির পূর্ব ও পরবর্তী ব্যবস্থাপনায় গাইড করেন।

     


    • Category : Doctors
    • 2022-01-21
    • Views : 2514
  • ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ ডাক্তার

    ঢাকার ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের তালিকা

    ডায়াবেটিস এখন এক মহামারির রূপ নিয়েছে, যা শুধু রক্তে চিনি বেড়ে যাওয়ার সমস্যা নয়—বরং পুরো শরীরের ওপর দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলে। সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ না করলে কিডনি, চোখ, হার্ট এবং নার্ভে মারাত্মক জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে। তাই এই রোগের নিয়মিত চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণের জন্য একজন দক্ষ ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ ডাক্তার এর পরামর্শ নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    এই ব্লগে আমরা তুলে ধরছি ঢাকার সেরা ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ ডাক্তার ঢাকা তালিকা, যাঁরা আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি ও অভিজ্ঞতার মাধ্যমে ডায়াবেটিস রোগীদের জীবনযাত্রা সুস্থ ও নিয়ন্ত্রিত রাখতে সহায়তা করছেন। যদি আপনি একজন ভালো ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ ডাক্তার খুঁজে থাকেন, তাহলে এই গাইডটি আপনার জন্য অত্যন্ত সহায়ক হবে।


    ঢাকার ডায়াবেটোলজিস্ট ডাক্তারের তালিকা নিম্নে দেয়া হলো -


    ডাঃ মোঃ ফেরদৌস হাসান

    মেডিসিন বিশেষজ্ঞ, ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ

    এমবিবিএস (ডিইউ), এমপিএইচ (প্রতিরোধমূলক মেডিসিন) সিসিডি (বার্ডেম), ডিপ্লোমা ইন ফ্যামিলি মেডিসিন সিটিএম (ডিইউ), এফআরএসএইচ (লন্ডন) এম.এসসি (ক্রিটিক্যাল কেয়ার মেডিসিন) সদস্য-আমেরিকান কার্ডিয়াক অ্যাসোসিয়েশন প্রাক্তন পরামর্শদাতা, ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল মতিঝিল, ঢাকা পরামর্শদাতা, মেডিনোভা মেডিকেল সার্ভিসেস লিমিটেড

    চেম্বারের ঠিকানা: জেমকন বিজনেস টাওয়ার, ২৫৫ নিউ সার্কুলার রোড, মালিবাগ, ঢাকা।

    ডাক্তারের প্রোফাইল দেখতে ক্লিক করুন

    সিরিয়ালের জন্য কল করুন: ০১৭৪০-৪৮৬১২৩ (সকাল ০৮:০০ টা হতে সন্ধ্যা ০৭:০০ টা, শুক্রবার ব্যাতিত)


    সহকারী অধ্যাপক ডাঃ কমলেশ চন্দ্র বসু

    মেডিসিন বিশেষজ্ঞ, ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ

    এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য) এফসিপিএস (এন্ডোক্রিনোলজি), এফসিপিএস (মেডিসিন) এমসিপিএস (মেডিসিন) এমডি (ইন্টারনাল মেডিসিন) সহকারী অধ্যাপক এন্ডোক্রিনোলজি বিভাগ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ঢাকা বিএমডিসি রেজিস্ট্রেশন নং এ-৩৭৮১৭

    চেম্বারের ঠিকানা: জেমকন বিজনেস সেন্টার, লিফট-২-৬ (তৃতীয় তলা থেকে ৭ম তলা) মালিবাগ মোড়, ২৫৫, নিউ সার্কুলার রোড, ঢাকা-১২১৭

    ডাক্তারের প্রোফাইল দেখতে ক্লিক করুন

    সিরিয়ালের জন্য কল করুন: ০১৭৪০-৪৮৬১২৩ (সকাল ০৮:০০ টা হতে সন্ধ্যা ০৭:০০ টা, শুক্রবার ব্যাতিত)



    অধ্যাপক ডাঃ এ, কে, এম, খায়রুজ্জামান

    ডায়াবেটোলজিস্ট

    এম, বি, বি, এস, এম, ফিল (বারডেম) সি,সি,ডি, (বারডেম), অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান ইউনিভার্সাল মেডিকেল কলেজ (সাবেক আয়েশা মেমোরিয়াল হাসপাতাল) মহাখালি, ঢাকা।

    চেম্বারের ঠিকানা: ২-এ/১,দারুন সালাম রোড, মিরপুর-১,ঢাকা-১২১৬(পূবালী ব্যাংকের উপরে,লিফটের ২য়)মিরপুর -১ চাইনিজের বিপরীতে।

    ডাক্তারের প্রোফাইল দেখতে ক্লিক করুন

    সিরিয়ালের জন্য কল করুন: ০১৭৪০-৪৮৬১২৩ (সকাল ০৮:০০ টা হতে সন্ধ্যা ০৭:০০ টা, শুক্রবার ব্যাতিত)



    অধ্যাপক ডাঃ এ.এইচ.এম. আখতারুজ্জামান

    ডায়াবেটোলজিস্ট

    এমবিবিএস (ঢাকা) এমসিপিএস (মেডিসিন), এমডি (এন্ডোক্রিনোলজি) বারডেম, অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান (এন্ডোক্রিনোলজি বিভাগ) রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল। 

    চেম্বারের ঠিকানা: বাড়ী-০২, রোড-০৬, ব্লক-এ, মিরপুর-১০, ঢাকা-১২১৬ । (ইনডোর স্টেডিয়ামের পূর্ব পার্শ্বে)

    ডাক্তারের প্রোফাইল দেখতে ক্লিক করুন

    সিরিয়ালের জন্য কল করুন: ০১৭৪০-৪৮৬১২৩ (সকাল ০৮:০০ টা হতে সন্ধ্যা ০৭:০০ টা, শুক্রবার ব্যাতিত)



    ডাঃ মোঃ দেলোয়ার হোসেন (টিটো)

    ডায়াবেটোলজিস্ট

    এমবিবিএস, এমসিপিএস (মেডিসিন) সিসিডি (বারডেম), এফআরএসএইচ (লন্ডন) অ্যাডভান্সড ট্রেনিং ইন নেফ্রোলজি বিশেষজ্ঞ মেডিসিন, ডায়াবেটিস, এবং কিডনি রোগ বিভাগের কিডনি রোগ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, (পিজি হাসপাতাল), ঢাকা।

    চেম্বারের ঠিকানা: প্লট-১১, মেইন রোড-১, মিরপুর-১০, ঢাকা-১২১৬ । (মিরপুর ১০ নং গোলচক্ত্বর থেকে ১০০ গজ পূর্ব পার্শ্বে)

    ডাক্তারের প্রোফাইল দেখতে ক্লিক করুন

    সিরিয়ালের জন্য কল করুন: ০১৭৪০-৪৮৬১২৩ (সকাল ০৮:০০ টা হতে সন্ধ্যা ০৭:০০ টা, শুক্রবার ব্যাতিত)


    সহকারী অধ্যাপক ডাঃ মুহাম্মদ সাখাওয়াত হোসাইন 

    ডায়াবেটোলজিস্ট

    এমবিবিএস (ঢাকা) বিসিএস (স্বাস্থ্য ) এফসিপিএস (মেডিসিন), এফসিপিএস- বক্ষব্যাধি (চেস্ট ডিজিজ) উচ্চতর প্রশিক্ষণ- ডায়াবেটিস, হরমোন ও রিউমাটলজী, সহকারী অধ্যাপক (পালমনোলজি), জাতীয় বক্ষব্যাধি ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল মহাখালী, ঢাকা। 

    চেম্বারের ঠিকানা: প্লট নং-১০, রোড- ৪/৫, ব্লক-বি, কালশী রোড, মিরপুর-11, ঢাকা-1216 ।

    ডাক্তারের প্রোফাইল দেখতে ক্লিক করুন

    সিরিয়ালের জন্য কল করুন: ০১৭৪০-৪৮৬১২৩ (সকাল ০৮:০০ টা হতে সন্ধ্যা ০৭:০০ টা, শুক্রবার ব্যাতিত)



    সহকারী অধ্যাপক ডাঃ উম্মে সাদিয়া মিলি

    ডায়াবেটোলজিস্ট

    এমবিবিএস, ডিইএম (ডি.ইউ), এমএসিই (ইউএসএ) সহযোগী অধ্যাপক ডিপার্টমেন্ট অফ ডায়াবেটোলজি এন্ড এন্ডোক্রাইনোলজি বিআইএইচএস, জেনারেল হসপিটাল।

    চেম্বারের ঠিকানা: ১,২,৩, বিএনএসবি ভবন, কলওয়ালাপাড়া, মিরপুর-১, ঢাকা-১২১৬ । (সনি সিনেমা হলের বিপরীতে)

    ডাক্তারের প্রোফাইল দেখতে ক্লিক করুন

    সিরিয়ালের জন্য কল করুন: ০১৭৪০-৪৮৬১২৩ (সকাল ০৮:০০ টা হতে সন্ধ্যা ০৭:০০ টা, শুক্রবার ব্যাতিত)



    ডাঃ আহমেদ সালাম মীর

    ডায়াবেটোলজিস্ট

    এমবিবিএস (গোল্ড মেডালিস্ট), এমডি (এন্ডোক্রাইনোলজি) মেম্বার অফ আমেরিকান এসোসিয়েশন অফ ক্লিনিক্যাল এন্ডোক্রাইনোলজিস্ট সহযোগী অধ্যাপক, এন্ডোক্রাইনোলজি বিভাগ বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব হেলথ্ সায়েন্সেস।

    চেম্বারের ঠিকানা: ২৪/৩ খিলজী রোড (রিং রোড) শ্যামলী, ঢাকা-১২০৭, বাংলাদেশ।

    ডাক্তারের প্রোফাইল দেখতে ক্লিক করুন

    সিরিয়ালের জন্য কল করুন: ০১৭৪০-৪৮৬১২৩ (সকাল ০৮:০০ টা হতে সন্ধ্যা ০৭:০০ টা, শুক্রবার ব্যাতিত)



    ডাঃ মোঃ রশিদুল হাসান

    ডায়াবেটোলজিস্ট

    এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য) এফসিপিএস (মেডিসিন) এমআরসিপি (ইউকে)। মেডিসিন, ডায়াবেটিস ও হরমোন রোগ বিশেষজ্ঞ স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ মিটফোর্ড হাসপাতাল, ঢাকা।

    চেম্বারের ঠিকানা: ১০৪১/২এ,পূর্ব শেওড়াপাড়া, মিরপুর,  ঢাকা- ১২১৬। (শেওড়াপাড়া মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ এর সন্নিকটে)

    ডাক্তারের প্রোফাইল দেখতে ক্লিক করুন

    সিরিয়ালের জন্য কল করুন: ০১৭৪০-৪৮৬১২৩ (সকাল ০৮:০০ টা হতে সন্ধ্যা ০৭:০০ টা, শুক্রবার ব্যাতিত)



    সহকারী অধ্যাপক ডাঃ মুহাম্মদ আব্দুল আউয়াল 

    ডায়াবেটোলজিস্ট

    এমবিবিএস, সিসিডি (বারডেম), এফসিপিএস (মেডিসিন) সহকারী অধ্যাপক (মেডিসিন ও ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ) 7-9 বি, আই, এইচ, এএ (বারডেম) জেনারেল হাসপাতাল।

    চেম্বারের ঠিকানা: প্লটঃ ২৯-৩০, ব্লক-খ, রোড-০১, সেকশন-৬, মিরপুর-১০ গোলচক্ত্বর, ঢাকা-১২১৬। (মিরপুর ফায়ার সার্ভিসের বিপরীতে)

    ডাক্তারের প্রোফাইল দেখতে ক্লিক করুন

    সিরিয়ালের জন্য কল করুন: ০১৭৪০-৪৮৬১২৩ (সকাল ০৮:০০ টা হতে সন্ধ্যা ০৭:০০ টা, শুক্রবার ব্যাতিত)



    ডাঃ অনন্ত কুমার কুন্ডু

    ডায়াবেটোলজিস্ট

    এমবিবিএস (ডিএমসি), এমএসসি (নিউট্রিশন), ডিইএম (বারডেম), এমডি (কোর্স), ডায়াবেটিস ও হরমোন রোগ বিশেষজ্ঞ বারডেম হাসপাতাল, শাহবাগ, ঢাকা।

    চেম্বারের ঠিকানা: বাড়ী-১ ও ৩, রোড-২, ব্লক-বি, মিরপুর-১০, ঢাকা । (মিরপুর ১০ নং গোলচক্ত্বর এর উওর পার্শ্বে)

    ডাক্তারের প্রোফাইল দেখতে ক্লিক করুন

    সিরিয়ালের জন্য কল করুন: ০১৭৪০-৪৮৬১২৩ (সকাল ০৮:০০ টা হতে সন্ধ্যা ০৭:০০ টা, শুক্রবার ব্যাতিত)



    ডাঃ আশরাফ উদ্দিন আহমেদ

    ডায়াবেটোলজিস্ট

    এমবিবিএস, এফসিজিপি (জেনারেল মেডিসিন), ডিএফআইডি (ডায়াবেটিস), (সিএমএইচ ভ্যালর), ডি-অ্যাস্থমা (ইউকে), ডিসিপি (অস্ট্রেলিয়া), সিসিডি, ইউসি (বারডেম), সিওসি (চর্মরোগ ও যৌনতা), সিসিডি (হার্ট ফাউন্ডেশন) পরামর্শদাতা ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ, সাধারণ চিকিৎসা ও বিশেষজ্ঞ (ডায়াবেটিস, মেডিসিন, উচ্চ-চাপ, হাঁপানি, চর্মরোগ ও যৌন)

    চেম্বারের ঠিকানা: বাড়ী-১৬, রোড-১০, রূপনগর আর/এ, মিরপুর, ঢাকা ১২১৬।

    ডাক্তারের প্রোফাইল দেখতে ক্লিক করুন

    সিরিয়ালের জন্য কল করুন: ০১৭৪০-৪৮৬১২৩ (সকাল ০৮:০০ টা হতে সন্ধ্যা ০৭:০০ টা, শুক্রবার ব্যাতিত



    ডাঃ মুহাম্মদ ফয়জুর রহমান (ফাহিম)

    ডায়াবেটোলজিস্ট

    এমবিবিএস (ঢাকা), বিসিএস (স্বাস্থ্য) এফসিপিএস-মেডিসিন (চূড়ান্ত পর্ব) মেডিসিন বিশেষজ্ঞ সহকারী অধ্যাপক-ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল।

    চেম্বারের ঠিকানা: প্লট নং-১০, রোড- ৪/৫, ব্লক-বি, সেকশন-১২, মিরপুর, ঢাকা-1216।

    ডাক্তারের প্রোফাইল দেখতে ক্লিক করুন

    সিরিয়ালের জন্য কল করুন: ০১৭৪০-৪৮৬১২৩ (সকাল ০৮:০০ টা হতে সন্ধ্যা ০৭:০০ টা, শুক্রবার ব্যাতিত)



    সহকারী অধ্যাপক ডাঃ নাজমা আক্তার

    ডায়াবেটোলজিস্ট

    এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য) এমডি, (এন্ডোক্রিনোলজি) সহকারী অধ্যাপক তাজউদ্দীন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, গাজীপুর, ঢাকা।

    চেম্বারের ঠিকানা: ৪৬৪/এইচ, ইসলাম টাওয়ার (৩য় তলা) ডিআইটি রোড, পশ্চিম রামপুরা, ঢাকা। (বিটিভি ভবনের বিপরীতে) ইউলুপ ব্রিজের পাশে, হাতিরঝিল স্টার্ট।

    ডাক্তারের প্রোফাইল দেখতে ক্লিক করুন

    সিরিয়ালের জন্য কল করুন: ০১৭৪০-৪৮৬১২৩ (সকাল ০৮:০০ টা হতে সন্ধ্যা ০৭:০০ টা, শুক্রবার ব্যাতিত)



    ডঃ মির্জা শরিফুল হক

    ডায়াবেটোলজিস্ট

    এমবিবিএস, এমডি (ইন্টারনাল মেডিসিন) এমএসিপি (ইউএসএ), সিসিডি (বারডেম) সদস্য, আমেরিকান কলেজ অফ ফিজিশিয়ানস (ইউএসএ) বারডেম জেনারেল হাসপাতাল, ঢাকা।

    চেম্বারের ঠিকানা: ব্যাংক কলোনি, আরিচা রোড (পাকিজা প্রিন্টের পশ্চিম পাশে) সাভার, ঢাকা।

    ডাক্তারের প্রোফাইল দেখতে ক্লিক করুন

    সিরিয়ালের জন্য কল করুন: ০১৭৪০-৪৮৬১২৩ (সকাল ০৮:০০ টা হতে সন্ধ্যা ০৭:০০ টা, শুক্রবার ব্যাতিত)


    আরো পড়ুন : ঢাকার মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের তালিকা


    ডায়াবেটোলজিস্ট বলা হয় যিনি ডায়াবেটোলজির উপর বিশেষজ্ঞ, যিনি ডায়াবেটোলজি স্টাডির উদ্ভাবন, চিকিৎসার পদ্ধতিগুলি প্রস্তুতকরণ, স্বতন্ত্র পুষ্টিকর এবং শারীরিক ক্রিয়াকলাপের পদ্ধতি নির্বাচন এবং জীবনধারা ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থাগুলির বিষয়ে সুপারিশ দিয়ে থাকেন।

    একজন ডায়াবেটোলজিস্ট এর  প্রধান চিকিৎসা পদ্ধতি  হলো একজন রোগী-কে পর্যবেক্ষণ করে তার জটিলতাগুলো প্রতিরোধ করা এবং রোগীর জীবনের মান বজায় রাখা। একজন ডায়াবেটোলজিস্ট তার চিকিৎসা প্রক্রিয়া কিছু প্রাথমিক বিষয় থেকে শুরু করেন। 

    বংশগত প্রবণতার স্পষ্টতা, বিদ্যমান দীর্ঘস্থায়ী রোগ, তীব্র অবস্থার উপস্থিতি, প্রথম লক্ষণগুলির উপস্থিতির সময়কাল, লক্ষণগুলির সময়কাল এবং তীব্রতা, জীবনধারা, পুষ্টি, শারীরিক ক্রিয়াকলাপ, চাপযুক্ত মুহূর্ত গুলোর ব্যাখ্যা বিবেচনা করেই তিনি একজন রোগীর চিকিৎসা করে থাকেন।

    চিকিৎসা শুরু করার আগে একজন ডায়াবেটোলজিস্ট কিছু পদ্ধতি অবলম্বন করেন। দেহে চিনির ঘনত্বের সংকল্প, গ্লুকোজ  সহনশীলতা পরীক্ষা, প্রস্রাবে গ্লুকোজ নির্ধারণ, প্রস্রাবে অ্যাসিটোন নির্ধারণ, গ্লাইকোসিলেটদ হিমোগ্লোবিনের সংকল্প, ফ্রুকটোসামিন স্তরের গবেষণা, রক্তে ইনসুলিনের মাত্রা নির্ধারণ, অগ্ন্যাশয় পরীক্ষা, কোলেস্টেরল এবং অন্যান্য ক্রিয়াকলাপ নির্ণয় করার পরে উনি কি চিকিৎসা করবেন তা সম্পর্কে নিশ্চিত হোন।

    পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে একজন ডায়াবেটোলজিস্ট প্রয়োজনীয় চিকিৎসার পদ্ধতি নির্বাচন করেন  এবং একটি পৃথক পুষ্টি পরিকল্পনা আঁকেন। কাজের ব্যবস্থা, বিশ্রাম এবং শারীরিক কসরত  সম্পর্কে সুপারিশ দিয়ে থাকেন।

    যে সকল রোগের চিকিৎসা দিয়ে থাকেন -

    • ডায়াবেটিক ক্ষত
    • ডায়াবেটিস দ্বারা সৃষ্ট কিডনি রোগ
    • ডায়াবেটিস-সম্পর্কিত শিরা এবং অন্যান্য রোগ
    • গর্ভকালীন ডায়াবেটিসের সমস্যা
    • ডায়াবেটিস রোগীর সুগার বৃদ্ধি এবং হ্রাস
    • ডায়াবেটিস-সম্পর্কিত মাথা ঘোরা এবং অজ্ঞানতা, শরীর, হাত, এবং পা চেপে যাওয়া
    • সকল ডায়াবেটিস সংক্রান্ত সমস্যা বিশেষজ্ঞ

    ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ সম্পর্কিত সাধারণ জিজ্ঞাসা

    ১. ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ কে?
    উত্তর: ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ হলেন এমন একজন চিকিৎসক যিনি ডায়াবেটিস (রক্তে অতিরিক্ত গ্লুকোজ) রোগের নির্ণয়, নিয়ন্ত্রণ ও চিকিৎসায় অভিজ্ঞ। সাধারণত এন্ডোক্রিনোলজিস্ট বা মেডিসিন বিশেষজ্ঞরাই ডায়াবেটিস চিকিৎসা করে থাকেন।

    ২. কখন ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞের কাছে যাওয়া উচিত?
    উত্তর: যদি আপনার ঘন ঘন পিপাসা লাগে, অতিরিক্ত প্রস্রাব হয়, ওজন হ্রাস পায়, ক্ষুধা বেড়ে যায় বা চোখে ঝাপসা দেখেন—তাহলে ডায়াবেটিস পরীক্ষা এবং বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

    ৩. ডায়াবেটিস কি সম্পূর্ণভাবে ভালো হয়?
    উত্তর: টাইপ-২ ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব, কিন্তু পুরোপুরি ভালো হয় না। নিয়মিত ওষুধ গ্রহণ, খাদ্য নিয়ন্ত্রণ, শরীরচর্চা এবং বিশেষজ্ঞের পরামর্শ মেনে চললে সুস্থ জীবনযাপন সম্ভব।

    ৪. ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ কী কী পরীক্ষা করে থাকেন?
    উত্তর: ব্লাড সুগার (FBS, PPBS, HbA1c), ইউরিন টেস্ট, লিভার ও কিডনি ফাংশন, লিপিড প্রোফাইল, ইনসুলিন লেভেল ও কিছু ক্ষেত্রে থাইরয়েড টেস্ট করে থাকেন।

    • Category : Doctors
    • 2021-10-31
    • Views : 7952
  • কার্ডিওলজিস্ট, হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তার

    ঢাকার কার্ডিওলজিস্ট বা হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তার তালিকা

    বর্তমানে হৃদরোগ বা হার্টের সমস্যা দিন দিন বেড়ে চলেছে—উচ্চ রক্তচাপ, বুক ধড়ফড়, হৃদস্পন্দনের অসামঞ্জস্যতা, কিংবা হৃদরোগজনিত অন্যান্য জটিলতায় ভুগছেন অনেকেই। এসব সমস্যার দ্রুত ও সঠিক চিকিৎসার জন্য একজন দক্ষ হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তার ঢাকা শহরে খুঁজে পাওয়া অত্যন্ত জরুরি।

    এই ব্লগে আমরা তুলে ধরছি ঢাকার অভিজ্ঞ হৃদরোগ বিশেষজ্ঞহার্ট বিশেষজ্ঞ ডাক্তার ঢাকা তালিকা, যাঁরা হৃদরোগ নির্ণয় ও চিকিৎসায় পারদর্শী। আপনি যদি নির্ভরযোগ্য হার্টের ডাক্তার ঢাকা খুঁজে থাকেন, তাহলে এই গাইডটি আপনার হৃদরোগ চিকিৎসার জন্য গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক হবে।


    ঢাকার হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের তালিকা নিম্নে দেয়া হলো -



    প্রফেসর ডাঃ শাহাবুদ্দিন খান 

    হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ

    এম বি বি এস (ডিএমসি), এম সি পি এস (মেডিসিন) এ.ডি (কার্ডিওলজি), পিএইচডি, এমআরসিপি (আয়ারল্যান্ড) এফআরসিপি (আয়ারল্যান্ড), এফআরসিপি (গ্লাসগো) ফেলো-ইন্টারভেনশনাল কার্ডিওলজি (ইন্ডিয়া)

    চেম্বারের ঠিকানা: ১৫০, বেগম রোকেয়া সরণী, সেনপাড়া পর্বতা, মিরপুর-১০, ঢাকা-১২১৬ ।

    ডাক্তারের প্রোফাইল দেখতে ক্লিক করুন

    সিরিয়ালের জন্য কল করুন: ০১৭৪০-৪৮৬১২৩ (সকাল ০৮:০০ টা হতে সন্ধ্যা ০৭:০০ টা, শুক্রবার ব্যাতিত)



    প্রফেসর ডাঃ খন্দকার সহিদ হোসেন 

    হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ

    এমবিবিএস, এমডি (কার্ডিওলজি), এফএসিসি (ইউএসএ) অধ্যাপক (কার্ডিওলজি) ন্যাশনাল হার্ট ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল, ঢাকা।

    চেম্বারের ঠিকানা: মিরপুর অরিজিনাল ১০, ইনডোর স্টেডিয়ামের বিপরীতে, ঢাকা ১২১৬।

    ডাক্তারের প্রোফাইল দেখতে ক্লিক করুন

    সিরিয়ালের জন্য কল করুন: ০১৭৪০-৪৮৬১২৩ (সকাল ০৮:০০ টা হতে সন্ধ্যা ০৭:০০ টা, শুক্রবার ব্যাতিত)



    অধ্যাপক ডা. মো. মিজানুর রহমান

    মেডিসিন, বাতজ্বর ও হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ 

    এমবিবিএস (ডিএমসি), এফসিপিএস (মেডিসিন) এমডি (হৃদরোগ) হু ফেলো, এফএসিসি (আমেরিকা) এফআরসিপি, (গ্লাসগো, ইউকে) হৃদরোগ বিষয়ে উচ্চতর ট্রেনিং থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়া মেডিসিন, বাতজ্বর ও হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ বিভাগীয় প্রধান (হৃদরোগ বিভাগ) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ঢাকা। বিএমডিসি রেজি নং, এ-২০১৬৭

    চেম্বারের ঠিকানা: ১১, কেন্দ্রীয় মসজিদ, বাসস্ট্যান্ড, মিরপুর, ঢাকা ১২১৬।

    ডাক্তারের প্রোফাইল দেখতে ক্লিক করুন

    সিরিয়ালের জন্য কল করুন: ০১৭৪০-৪৮৬১২৩ (সকাল ০৮:০০ টা হতে সন্ধ্যা ০৭:০০ টা, শুক্রবার ব্যাতিত)



    সহকারী অধ্যাপক ডাঃ মোঃ আনোয়ার হোসেন 

    হৃদরোগ-রক্তনালী-বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ ও সার্জন

    এমবিবিএস (ঢাকা), বিসিএস (স্বাস্থ্য) এমএস (সিভি এন্ড টিএস), জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল, ঢাকা ইউনিএইড ডায়াগনস্টিক এন্ড কনসালটেশন লিমিটেড।

    চেম্বারের ঠিকানা: ২-এ/১,দারুন সালাম রোড, মিরপুর-১,ঢাকা-১২১৬(পূবালী ব্যাংকের উপরে,লিফটের ২য়)মিরপুর -১ চাইনিজের বিপরীতে।

    ডাক্তারের প্রোফাইল দেখতে ক্লিক করুন

    সিরিয়ালের জন্য কল করুন: ০১৭৪০-৪৮৬১২৩ (সকাল ০৮:০০ টা হতে সন্ধ্যা ০৭:০০ টা, শুক্রবার ব্যাতিত)



    সহকারী অধ্যাপক ডাঃ মোঃ আক্তারুজ্জামান

    হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ

    এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এফসিপিএস (মেডিসিন), এমডি (কার্ডিওলজী) সহকারী অধ্যাপক (হৃদরোগ বিভাগ) জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল (মেডিসিন, হৃদরোগ ও বাতজ্বর বিশেষজ্ঞ)

    চেম্বারের ঠিকানা: ২/২, রূপনগর বাণিজ্যিক এলাকা (আবাসিক মোড়), পল্লবী, মিরপুর, ঢাকা।

    ডাক্তারের প্রোফাইল দেখতে ক্লিক করুন

    সিরিয়ালের জন্য কল করুন: ০১৭৪০-৪৮৬১২৩ (সকাল ০৮:০০ টা হতে সন্ধ্যা ০৭:০০ টা, শুক্রবার ব্যাতিত)



    ডাঃ মিনহাজ আরেফিন

    হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ

    এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), সিসিডি (বারডেম) এমএসিপি (ইউএসএ), এফএসসিএআই (ইউএসএ) এফসিপিএস কোর্স (মেডিসিন), এমডি (কার্ডিওলজি) ইন্টারভেনশনাল কার্ডিওলজিতে অ্যাডভান্সড ট্রেনিং (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি, দক্ষিণ কোরিয়া, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া এবং ভারত) জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল, ঢাকা।

    চেম্বারের ঠিকানা: বাড়ি ২৩, ২৪ এবং ২৬, লেক ড্রাইভ রোড, সেক্টর ০৭ উত্তরা, ঢাকা-১২৩০।

    ডাক্তারের প্রোফাইল দেখতে ক্লিক করুন

    সিরিয়ালের জন্য কল করুন: ০১৭৪০-৪৮৬১২৩ (সকাল ০৮:০০ টা হতে সন্ধ্যা ০৭:০০ টা, শুক্রবার ব্যাতিত)



    সহকারী অধ্যাপক ডাঃ মোঃ হাসান আলমগীর

    হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ

    এমবিবিএস (ঢাকা), এমডি (কার্ডিওলজি), সিসিডি (বারডেম) মেডিসিন, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, বাতজ্বর ও হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ সহকারী অধ্যাপক (কার্ডিওলজি) জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউট ও হাসপাতাল শেরে বাংলা নগর, ঢাকা।

    চেম্বারের ঠিকানা: প্লট-২৯-৩০, ব্লক-খ, রোড-০১, সেকশন-০৬, মিরপুর-১০, ঢাকা-১২১৬।

    ডাক্তারের প্রোফাইল দেখতে ক্লিক করুন

    সিরিয়ালের জন্য কল করুন: ০১৭৪০-৪৮৬১২৩ (সকাল ০৮:০০ টা হতে সন্ধ্যা ০৭:০০ টা, শুক্রবার ব্যাতিত)



    সহকারী অধ্যাপক ডাঃ সৈয়দ মোহাম্মদ আলী রোমেল

    হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ

    এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এমসিপিএস (মেডিসিন) এফসিপিএস, (মেডিসিন), এমডি (কার্ডিওলজি) সহকারী অধ্যাপক, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল, ঢাকা।

    চেম্বারের ঠিকানা: ১০, চাঁদ প্লাজা, মিরপুর-১, ঢাকা-১২১৬ ।

    ডাক্তারের প্রোফাইল দেখতে ক্লিক করুন

    সিরিয়ালের জন্য কল করুন: ০১৭৪০-৪৮৬১২৩ (সকাল ০৮:০০ টা হতে সন্ধ্যা ০৭:০০ টা, শুক্রবার ব্যাতিত)



    ডঃ সমীর আজম সানি

    হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ

    এমবিবিএস, এমএস (সিভিটিএস) ফেলোশিপ অন বিটিং হার্ট সিএবিজি (তামিলনাড়ু) বিশেষজ্ঞ কার্ডিয়াক সার্জন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, সিনিয়র কনসালট্যান্ট কার্ডিও ভাস্কুলার সার্জন আল-হেলাল স্পেশালাইজড অ্যান্ড কার্ডিয়াক হাসপাতাল, ঢাকা।

    চেম্বারের ঠিকানা: ১৫০, বেগম রোকেয়া সরণী, সেনপাড়া পর্বতা, মিরপুর-১০, ঢাকা-১২১৬ ।

    ডাক্তারের প্রোফাইল দেখতে ক্লিক করুন

    সিরিয়ালের জন্য কল করুন: ০১৭৪০-৪৮৬১২৩ (সকাল ০৮:০০ টা হতে সন্ধ্যা ০৭:০০ টা, শুক্রবার ব্যাতিত)



    সহকারী অধ্যাপক ডাঃ মুহাম্মদ মনিরুজ্জামান 

    হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ

    এমবিবিএস (এসএসএমসি), এমএস (সিভি ও টিওস), কনসালট্যান্ট কার্ডিয়াক সার্জারি ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন এবং রিচার্জ ইনস্টিটিউট কার্ডিওলজিস্ট, ভাস্কুলার এবং থোরাসিক বিশেষজ্ঞ এবং সার্জন ওপেন-হার্ট সার্জারিতে (বাইপাস, ভালভ, এবং একজন জন্মগত হার্ট বিশেষজ্ঞ)

    চেম্বারের ঠিকানা: প্লট নং-১০, রোড- ৪/৫, ব্লক-বি, সেকশন-১২, মিরপুর, ঢাকা-1216।

    ডাক্তারের প্রোফাইল দেখতে ক্লিক করুন

    সিরিয়ালের জন্য কল করুন: ০১৭৪০-৪৮৬১২৩ (সকাল ০৮:০০ টা হতে সন্ধ্যা ০৭:০০ টা, শুক্রবার ব্যাতিত)



    সহকারী অধ্যাপক ডাঃ মাহবুব মোর্শেদ 

    হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ

    এমবিবিএস, এমডি (কার্ডিওলজি) মেডিসিন এবং কার্ডিওলজি বিশেষজ্ঞ

    চেম্বারের ঠিকানা: প্লট নং-১০, রোড- ৪/৫, ব্লক-বি, সেকশন-১২, মিরপুর, ঢাকা-1216।

    ডাক্তারের প্রোফাইল দেখতে ক্লিক করুন

    সিরিয়ালের জন্য কল করুন: ০১৭৪০-৪৮৬১২৩ (সকাল ০৮:০০ টা হতে সন্ধ্যা ০৭:০০ টা, শুক্রবার ব্যাতিত)



    ডাঃ মুহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান

    হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ

    এমবিবিএস, এমসিপিএস (মেডিসিন), এমডি (কার্ডিওলজি) কার্ডিওলজিস্ট, মেডিসিন এবং রিউমাটোলজিস্ট। সহকারী অধ্যাপক (কার্ডিওলজি) জাতীয় কদরেগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল, ঢাকা

    চেম্বারের ঠিকানা: ৬১৩/২, বেগম রোকেয়া সরণি (সোনালী ব্যাংকের বিপরীতে, হাতিল ফার্নিচারের ২০০ গজ দক্ষিণে) কাজীপাড়া, মিরপুর, ঢাকা-১২১৭।

    ডাক্তারের প্রোফাইল দেখতে ক্লিক করুন

    সিরিয়ালের জন্য কল করুন: ০১৭৪০-৪৮৬১২৩ (সকাল ০৮:০০ টা হতে সন্ধ্যা ০৭:০০ টা, শুক্রবার ব্যাতিত)



    ডাঃ নাজমুন নাহার মিলি

    হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ

    এমবিবিএস, এফসিপিএস (মেডিসিন-এফপি), সিসিডি (বারডেম) ডি কার্ডিওলজিতে কার্ড (ঢাকা মেডিকেল কলেজ) মেডিসিন শহীদ সেহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের স্নাতক প্রশিক্ষণ। মেডিসিন, কার্ডিওলজি এবং ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ

    চেম্বারের ঠিকানা: ১,২,৩, বিএনএসবি ভবন, কলওয়ালাপাড়া, মিরপুর-১, ঢাকা-১২১৬ । (সনি সিনেমা হলের বিপরীতে)

    ডাক্তারের প্রোফাইল দেখতে ক্লিক করুন

    সিরিয়ালের জন্য কল করুন: ০১৭৪০-৪৮৬১২৩ (সকাল ০৮:০০ টা হতে সন্ধ্যা ০৭:০০ টা, শুক্রবার ব্যাতিত)



    সহযোগী অধ্যাপক ডঃ খন্দকার মোঃ নুরুস সাবাহ

    হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ

    এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য) এমসিপিএস (মেডিসিন) ডি-কার্ড (ডিইউ) এমডি (কার্ডিওলজি) সহযোগী অধ্যাপক ও কার্ডিওলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মুগদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, ঢাকা।

    চেম্বারের ঠিকানা: ৪৬৪/এইচ, ইসলাম টাওয়ার (৩য় তলা) ডিআইটি রোড, পশ্চিম রামপুরা, ঢাকা। (বিটিভি ভবনের বিপরীতে) ইউলুপ ব্রিজের পাশে, হাতিরঝিল শুরু।

    ডাক্তারের প্রোফাইল দেখতে ক্লিক করুন

    সিরিয়ালের জন্য কল করুন: ০১৭৪০-৪৮৬১২৩ (সকাল ০৮:০০ টা হতে সন্ধ্যা ০৭:০০ টা, শুক্রবার ব্যাতিত)



    ডাঃ মোঃ ওয়াসেক ফয়সাল (রাজিব)

    হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ

    এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এমডি (কার্ডিওলজি) মেম্বার অফ আমেরিকান কলেজ অফ কার্ডিওলজি কনসালটেন্ট, কার্ডিওলজি বিভাগ জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট, ঢাকা।

    চেম্বারের ঠিকানা: ২৪/৩ খিলজী রোড (রিং রোড) শ্যামলী, ঢাকা-১২০৭, বাংলাদেশ।

    ডাক্তারের প্রোফাইল দেখতে ক্লিক করুন

    সিরিয়ালের জন্য কল করুন: ০১৭৪০-৪৮৬১২৩ (সকাল ০৮:০০ টা হতে সন্ধ্যা ০৭:০০ টা, শুক্রবার ব্যাতিত)



    ডাঃ এম আই রুমি

    হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ

    এমবিবিএস (ঢাকা), বিসিএস, এফসিপিএস-এফপি (মেডিসিন) সিসিডি (বারডেম), ডি-কার্ড (বিএসএমএমইউ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (পিজি), ঢাকা ফেলোশিপ ট্রেনিং ইন ইকোকার্ডিওগ্রাফি (জেআরওপি-ইন্ডিয়া)

    চেম্বারের ঠিকানা: ব্যাংক কলোনি, আরিচা রোড (পাকিজা প্রিন্টের পশ্চিম পাশে) সাভার, ঢাকা।

    ডাক্তারের প্রোফাইল দেখতে ক্লিক করুন

    সিরিয়ালের জন্য কল করুন: ০১৭৪০-৪৮৬১২৩ (সকাল ০৮:০০ টা হতে সন্ধ্যা ০৭:০০ টা, শুক্রবার ব্যাতিত)



    ডাঃ এম শরিফুল আলম

    হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ

    এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এমডি (কার্ডিওলজি), এমএসিপি (মেডিসিন,) আমেরিকা ইকোকার্ডিওগ্রাফি স্পেশাল ট্রেনিং (জেওএফপি ইন্ডিয়া,) ইন্টারভেনশনাল স্পেশাল ট্রেনিং (ফোর্টিস ইন্ডিয়া), কনসালট্যান্ট ক্লিনিক্যাল অ্যান্ড ইন্টারভেনশনাল কার্ডিওলজিস্ট, ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, ঢাকা।

    চেম্বারের ঠিকানা: বাড়ি#১ এবং ২, রোড#২, ব্লক#বি, সেকশন#১০, ঢাকা ১২১৬।

    ডাক্তারের প্রোফাইল দেখতে ক্লিক করুন

    সিরিয়ালের জন্য কল করুন: ০১৭৪০-৪৮৬১২৩ (সকাল ০৮:০০ টা হতে সন্ধ্যা ০৭:০০ টা, শুক্রবার ব্যাতিত)


    আরো পড়ুন : ইমিউনিটি বাড়াতে সহায়ক কিছু খাদ্য

    আরো পড়ুন : ঢাকার মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের তালিকা


    যে সকল রোগের চিকিৎসা দিয়ে থাকেন -

    • হার্ট অ্যাটাক / হার্ট ব্লক
    • বুক ব্যাথা
    • উচ্চ রক্তচাপ (উচ্চ রক্তচাপ)
    • হাঁটার উপর হোঁচট
    • এনজিওগ্রাম
    • রিং প্রেস মেকার এবং হেঁটে হেডলং পড়ে
    • শ্বাসকষ্টের কারণে রাতে ঘুমাতে পারেননি
    • বুক ধড়ফড়
    • আর্থ্রাইটিস এবং রিউমেটিক হার্ট ডিজিজ দ্বারা সৃষ্ট হৃদরোগ

    প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী

    প্রশ্ন : কার্ডিওলজিস্ট বা হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ কাকে বলে এবং তিনি কী চিকিৎসা করেন?
    উত্তর: কার্ডিওলজিস্ট বা হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ হলেন এমন একজন চিকিৎসক যিনি হৃদপিণ্ড ও রক্তনালীর বিভিন্ন রোগ যেমন উচ্চ রক্তচাপ, হৃদস্পন্দনের সমস্যা, হার্ট অ্যাটাক, হৃদযন্ত্রের ব্লকেজ, চেস্ট পেইন এবং হৃৎপিণ্ডের দুর্বলতা ইত্যাদির চিকিৎসা করে থাকেন।

    প্রশ্ন : কবে একজন কার্ডিওলজিস্টের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন?
    উত্তর: যদি আপনি বুকে ব্যথা, নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট, অনিয়মিত হৃদস্পন্দন, অতিরিক্ত ক্লান্তি, উচ্চ রক্তচাপ বা ডায়াবেটিসে ভুগেন, তবে দ্রুত একজন হৃদরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

    প্রশ্ন : একজন কার্ডিওলজিস্ট কি শুধু ওষুধ দেন, নাকি অপারেশনও করেন?
    উত্তর: কার্ডিওলজিস্ট সাধারণত হৃদরোগের ওষুধের মাধ্যমে চিকিৎসা করেন এবং প্রয়োজন হলে ইকো, ইসিজি, এনজিওগ্রাম ইত্যাদি পরীক্ষা করেন। তবে অপারেশনের (যেমন বাইপাস সার্জারি বা পেসমেকার বসানো) জন্য কার্ডিয়াক সার্জনের সাহায্য নেওয়া হয়।

    • Category : Doctors
    • 2021-10-26
    • Views : 13944

  Popular posts

Ibn Sina Test Price List, ইবনে সিনা হাসপাতাল টেস্ট লিস্ট

Ibn Sina Test Price List.


  • Category : Blogpage
  • 2026-01-20
  • Views : 69393

Ibn Sina Test Price List.

চর্ম রোগ বিশেষজ্ঞ সেরা ১০ ডাক্তার তালিকা

ঢাকার চর্ম রোগ বিশেষজ্ঞ সেরা ১০ ডাক্তার তালিকা।


  • Category : Doctors
  • 2023-11-29
  • Views : 65308

ঢাকার চর্ম রোগ বিশেষজ্ঞ সেরা ১০ ডাক্তার তালিকা।

নিউরোলজি বিশেষজ্ঞ ডাক্তার

ঢাকার সেরা ১০ নিউরোলজি বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের তালিকা


  • Category : Doctors
  • 2025-04-29
  • Views : 64037

ঢাকার সেরা ১০ নিউরোলজি বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের তালিকা

চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তার

ঢাকার চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের তালিকা


  • Category : Doctors
  • 2022-09-18
  • Views : 53640

ঢাকার চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের তালিকা

Our Medical Partner