(10am - 7pm) হটলাইন:  01740-486123

All Posts

  Recent Posts

কোন কোন খাবার আপনার ইমিউনিটি কমাতে পারে

করোনাকালে কোন কোন খাবার আপনার ইমিউনিটি কমাতে পারে


করোনাকালে কোন কোন খাবার আপনার ইমিউনিটি কমাতে পারে

সুস্থ থাকার জন্য শরীরে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর কোন বিকল্প নেই। করোনাকালে ইমিউনিটি বা শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর দিকে নজর দিতে বলছেন বিশেষজ্ঞরা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, যে খাবারে পুষ্টির ঘাটতি রয়েছে, তা আপনার ইমিউনিটি (immune system) বাড়ানোর পরিবর্তে এটিকে দুর্বল করে দেয়। এই সব খাবার শরীরে ক্ষতি করে, ভারসাম্যহীনতা সৃষ্টি করে, যা পরে প্রতিরোধ ক্ষমতাতে প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

করোনা সংক্রমণের পর থেকে ইমিউনিটির গুরুত্ব বুঝতে পেরেছেন বিশ্ববাসী। সংক্রমণের হাত থেকে রেহাই পেতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা (Immune system) আরও শক্তিশালী করতে হবে।

এই কারণেই প্রত্যেকে চিকিৎসকের কথা মতো, নিজেদের সুস্থ রাখতে কী কী খাওয়া উচিত সেদিকে মন দিয়েছেন। এখন দেখে নিন সেই খাবারগুলি কী কী -

উচ্চ ফ্যাটযুক্ত খাবারঃ

উচ্চ স্যাচুরেটেড ডায়েটে ইমিউনিটি কমে যায়। স্যাচুরেটেড ফ্যাটযুক্ত খাবারগুলি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং শ্বেত রক্ত কণিকার কার্যকারিতা কমিয়ে সংক্রমণের সংবেদনশীলতা বাড়িয়ে তুলতে পারে।

মাইক্রোবায়োম জার্নালে প্রকাশিত একটি সমীক্ষা অনুসারে, উচ্চ-চর্বিযুক্ত খাদ্য অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়াগুলিকে পরিবর্তন করে এবং আস্তরণের ক্ষতি করতে পারে।

ফাস্ট ফুডঃ

হোটেল রেস্তোরাঁগুলিতে পাওয়া ফাস্টফুড আপনার প্রতিরোধ ক্ষমতাও প্রভাবিত করতে পারে। আপনি যদি এটি নিয়মিত খান তবে আপনি ফুলে যাচ্ছেন।

হেলথ জার্নালে প্রকাশিত একটি সমীক্ষা অনুসারে, ফাস্ট ফুডে ফ্লেটলেট রয়েছে। যা দ্রুত অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়াহ্রাস করতে পারে। এটি ইমিউন সিস্টেমকে ক্ষতিগ্রস্থ করে।

লবণযুক্ত খাবারঃ

প্যাকেটের চিপস, বেকারি আইটেম, এবং হিমশীতল নৈশভোজগুলিতে নুন থাকায়, নুনের অটোইমিউন (autoimmune) রোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলতে পারে। প্রয়োজনের বেশি নুন না খাওয়াই ভাল বলে মত বিশেষজ্ঞদের।

পাবমিড সেন্ট্রাল-এ প্রকাশিত ২০১৯ সালের সমীক্ষা অনুসারে, নুন প্রতিরোধের কার্যকারিতা বাধা ছাড়াও পেটে ব্যাকটেরিয়াগুলিকে পরিবর্তন করতে পারে। যার কারণে আলসারেটিভ কোলাইটিস, রিউম্যাটয়েড আর্থ্রাইটিস এবং লুপাসের মতো অটোইমিউন রোগের সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

চাইনিজ খাবারঃ

অনিচ্ছাকৃতভাবে অত্যধিক চিনি গ্রহণ আপনার প্রতিরোধ ক্ষমতা প্রভাবিত করে। বিশেষত ডায়াবিটিসযুক্ত ব্যক্তিদের জন্য, বেশি পরিমাণে চিনি সেবন করলে রক্তের সুগারের মাত্রা দীর্ঘকাল ধরে রাখতে পারে।

নেচার কমিউনিকেশনস জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, উচ্চ রক্ত চাপে শর্করার মাত্রা অন্ত্রের ক্রিয়াকে হ্রাস করে, যা শরীরকে সংক্রমণের জন্য আরও বেশি ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলতে পারে।

প্রক্রিয়াজাত মাংসঃ

ভাজা খাবারগুলির মতো, প্রক্রিয়াজাত মাংসে এজিইগুলিতে বেশি। ২০১৯ সালে প্রকাশিত একটি সমীক্ষা অনুসারে, উচ্চ তাপমাত্রায় বেশি প্রক্রিয়াজাত এবং রান্না করা মাংস খেলে কোলন ক্যান্সারের মতো বিপজ্জনক রোগ হতে পারে।

কফিঃ

কফি এবং চায়ে উচ্চ মাত্রার অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট থাকে, অত্যধিক ক্যাফিন গ্রহণ ঘুমও কমিয়ে দেয় যা ইমিউনিটি কমাতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে ইমিউন ফাংশন সমর্থন করার জন্য, কোনও পুষ্টিবিহীন ক্যাফিনেটযুক্ত সোডা বা কৃত্রিম মিষ্টি দিয়ে তৈরি এমন পানীয় এড়িয়ে চলা উচিত।

আরো পড়ুন: ইমিউনিটি বাড়াতে সহায়ক কিছু খাদ্য

আরোও বিস্তারিত জানতে এবং সরাসরি ডাক্তারের পরামর্শ নিতে ভিজিট করুন - Sera Doctor অথবা যোগাযোগ করুন - ০১৭৪০-৪৮৬১২৩

 Details
ইমিউনিটি বাড়াতে খাদ্য

ইমিউনিটি বাড়াতে সহায়ক কিছু খাদ্য


ইমিউনিটি বাড়াতে সহায়ক কিছু খাদ্য

সুস্থ থাকার জন্য শরীরে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর বিকল্প নেই। করোনাকালে ইমিউনিটি বা শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর দিকে নজর দিতে বলছেন সবাই। এই পরিস্থিতিতে আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর জোর দেওয়া উচিত। কারণ এই পরিস্থিতিতে আমাদের ইমিউনিটি করোনা ভাইরাসের মারাত্মক সংক্রমণ থেকে রক্ষা করতে পারবে। 

বেশ কিছু সহজ উপাদান আছে যা খালি পেটে খাদ্য আকারে গ্রহণ করলে সেটা ইমিউনিটি বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। খালি পেটে খাওয়ার প্রধান কারণ হলো হজম সিস্টেম ভালো ভাবে কাজ করে, ফলে উপাদান গুলি গ্রহণ করলে তার যথাযথ কার্যকারিতা পাওয়া যায়। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য খুব দামি বা হিসাব করে খাবারদাবার খাওয়ার কোনো দরকার নেই। 

আসুন তা জেনে নেওয়া যাক কোন কোন খাবার গুলি আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে -

  • রসুন -

রান্নায় ব্যবহার ছাড়াও রসুনে অনেক রকমের ঔষধি গুণ আছে। প্রাচীনকাল থেকেই বিভিন্ন রোগের চিকিৎসায় রসুনের ব্যবহার চলে এসেছে। রসুনের মধ্যে পাওয়া যায় ক্যালসিয়াম‚ কপার‚ পটাশিয়াম‚ ফসফরাস‚ আয়রন ও ভিটামিন বি ওয়ান। রসুন অ্যান্টিবায়োটিক ও অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান থাকে। যা প্রাকৃতিক ভাবে সংক্রমণ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।

এছাড়াও রসুন ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। হার্ট ও ফুসফুস কে ভালো রাখতে সাহায্য করে রসুন। সকালে খালি পেটে রসুন খেলে এই রকম অনেক সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে ১- ২ কোয়া রসুন উষ্ণ গরম জলের সাথে খাওয়া যেতে পারে।

  • মধু -

যাবতীয় রোগ নিরাময়ে এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষায় মধুর গুণ অপরিসীম। মধুতে যেসব উপকরণ রয়েছে, তার মধ্যে প্রধান উপকরণ হলো সুগার বা চিনি, আর যেটা আমরা অনেকই এড়িয়ে চলি। কিন্তু মধুতে গ্লুকোজ ও ফ্রুকটোজ—এ দুটি সরাসরি মেটাবলাইজড হয়ে যায় এবং ফ্যাট হিসেবে জমা হয় না।

মস্কো বিশ্ববিদ্যালয়ে মধুর নমুনা পরীক্ষায় দেখা গেছে যে এতে অ্যালুমিনিয়াম, বোরন, ক্রোমিয়াম, কপার, লেড, টিন, জিঙ্ক ও জৈব অ্যাসিড, কতিপয় ভিটামিন, প্রোটিন, হরমোনস, এসিটাইল কোলিন, অ্যান্টিবায়োটিক, ফাইটোনসাইডস, সাইস্টোস্ট্যাটিক্স ও মিনারেল ছাড়াও অন্যান্য পুষ্টিকর উপাদান রয়েছে। মধুর রয়েছে অনেক ঔষধি গুণ।

যেমন এটি পচন নিবারক, কোলেস্টেরলবিরোধী এবং ব্যাকটেরিয়াবিরোধী। প্রতিদিন সকাল ও বিকেলে খালি পেটে চা–চামচের ১-২ চামচ করে মধু খেলে দারুণ উপকার পাওয়া যাবে।

  • আমলকী -

ভেষজ গুণে অনন্য একটি ফল আমলকী। বিভিন্ন অসুখ সারানো ছাড়াও আমলকী রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলতে দারুণ সাহায্য করে। আমলকীর গুণাগুণের জন্য আয়ুর্বেদিক ওষুধেও এখন আমলকীর নির্যাস ব্যবহার করা হয়। আমলকীতে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন সি।

পুষ্টিবিজ্ঞানীদের মতে, আমলকীতে পেয়ারা ও কাগজিলেবুর চেয়ে তিন গুণ ও দশ গুণ বেশি ভিটামিন সি রয়েছে। আমলকীতে কমলালেবুর চেয়ে ১৫ থেকে ২০ গুণ বেশি, আপেলের চেয়ে ১২০ গুণ বেশি, আমের চেয়ে ২৪ গুণ এবং কলার চেয়ে ৬০ গুণ বেশি ভিটামিন সি রয়েছে।

এটি গরম পানির সঙ্গে খেতে পারেন বা খালি পেটেও খেতে পারেন। এর রসও পান করা যায়। এটি অ্যান্টি–অক্সিডেন্টসমৃদ্ধ। খালি পেটে খাওয়ার সময় অভ্যন্তরীণভাবে আমাদের স্বাস্থ্যের উন্নতি করে, যা আমাদের ত্বক এবং চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখে।
 

আরোও বিস্তারিত জানতে এবং সরাসরি ডাক্তারের পরামর্শ নিতে ভিজিট করুন - Sera Doctor অথবা যোগাযোগ করুন - ০১৭৪০-৪৮৬১২৩

 

 Details
ঢাকার সার্জারী বিশেষজ্ঞ ডাক্তার

ঢাকার সার্জারী বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের তালিকা


ঢাকার সার্জারী বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের তালিকা

একজন সার্জারী বিশেষজ্ঞ তাকেই বলা হয়ে থাকেন, যিনি একজন রোগীর শল্য চিকিৎসাজনিত সকল সমাধানের জন্য বিশেষভাবে প্রশিক্ষিত এবং দক্ষ একজন ডাক্তার।

যে সকল রোগের চিকিৎসা দিয়ে থাকেন।

★ পিত্তথলীর অপারেশন

★ এ্যাপেন্ডিক্স অপারেশন

★ পাইলস ও ফিস্টুলা অপারেশন

★ অণ্ডকোষ/একশিরা অপারেশন

★ শরীরের অন্তরভাগ ও বহির্ভাগ

★ টিউমার অপারেশন

★ হাত, পা ও মলদ্বারের জটিল অপারেশন

★ সিজারিয়ান অপারেশন সহ সকল প্রকার সার্জারি

ঢাকার সার্জারী বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের তালিকা নিম্নে দেয়া হলো -

 

সহযোগী অধ্যাপক লেঃ কর্নেল ডাঃ মুহাম্মদ আলম

সার্জারী বিশেষজ্ঞ

এমবিবিএস, এফসিপিএস (সার্জারি) এমসিপিএস (সার্জারি), এমআরসিএস (ইংল্যান্ড), এফএমএসএস (ভারত), ডিএমএএস (ভারত), ইউরোলজিস্ট, জেনারেল এবং ল্যাপারোস্কোপিক সার্জন, সার্জারি বিশেষজ্ঞ, ইউরোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক, সিএমএইচ, ঢাকা।

লাইফ এইড স্পেশালাইজড হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার লি

৬১৩/২, বেগম রোকেয়া সরণি, কাজীপাড়া, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৭, বাংলাদেশ।
 

ডাঃ শাওন শাহরিয়ার

সার্জারী বিশেষজ্ঞ

এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এফসিপিএস (সার্জারি), জেনারেল, ল্যাপারোস্কোপিক, লিভার, পিত্ত এবং অগ্ন্যাশয় সার্জন, সহকারী অধ্যাপক, হেপাটোবিলিয়ারি সার্জারি বিভাগ

মিরপুর জেনারেল হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার

বাড়ি- ১৬, রোড- ১০, রূপনগর আর/এ, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৬, বাংলাদেশ।

 

ডাঃ মোঃ আহসান হাবিব

সার্জারী বিশেষজ্ঞ

এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এফসিপিএস (সার্জারি), জেনারেল এবং ল্যাপারোস্কোপিক বিশেষজ্ঞ এবং সার্জন, পেডিয়াট্রিক সার্জারি এবং সম্মিলিত সার্জারিতে উচ্চ প্রশিক্ষিত, সার্জিকাল অনকোলজি বিভাগ, জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট এবং হাসপাতাল।

মিরপুর জেনারেল হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার

কালশি শাখা, প্লট নং- ১০, রোড- ৪/৫, ব্লক- বি, সেকশন- ১২, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৬, বাংলাদেশ।

 

ডাঃ মোঃ সাইফুল ইসলাম

সার্জারী বিশেষজ্ঞ

এমবিবিএস, এমএস (সার্জারি), সার্জারি বিশেষজ্ঞ, কলোরেক্টাল, হেপাটোবিলিয়ারি, ল্যাপারোস্কোপিক এবং জেনারেল সার্জারি, মলদ্বার এবং পায়ূ অস্ত্রোপচারের উন্নত প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত

লাইফ এইড স্পেশালাইজড হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার লি

৬১৩/২, বেগম রোকেয়া সরণি, কাজীপাড়া, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৭, বাংলাদেশ।
 

সহকারী অধ্যাপক ডাঃ ইসমত জাহান লিমা 

সার্জারী বিশেষজ্ঞ

এমবিবিএস, এফসিপিএস (সার্জারি) স্বর্ণপদক, এমএস (কলোরেক্টাল সার্জারি) আমেরিকান কলেজ অফ সার্জনস, জেনারেল এবং কোলোরেক্টাল সার্জারি বিশেষজ্ঞ

মিরপুর জেনারেল হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার

কালশি শাখা, প্লট নং- ১০, রোড- ৪/৫, ব্লক- বি, সেকশন- ১২, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৬, বাংলাদেশ।

 

সহকারী অধ্যাপক ডাঃ নীলিমা জাহান

সার্জারী বিশেষজ্ঞ

এম.বি.বি.এস, এফ.সি.পি.এস (সার্জারী), সহকারী অধ্যাপক সার্জারী বিভাগ, ব্রেষ্ট এন্ড কলােরোল সার্জারী

লাইফ এইড স্পেশালাইজড হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার লি

৬১৩/২, বেগম রোকেয়া সরণি, কাজীপাড়া, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৭, বাংলাদেশ।
 

ডাঃ মোঃ খাদেমুল বাশার

সার্জারী বিশেষজ্ঞ

এমবিবিএস, এফসিপিএস (সার্জারী), কনসালটেন্ট (সার্জারী), আডভান্সড ল্যাপারস্কোপিক সার্জারীতে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত (ভারত), জেনারেল ও ল্যাপারস্কোপিক সার্জন

লাইফ এইড স্পেশালাইজড হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার লি

৬১৩/২, বেগম রোকেয়া সরণি, কাজীপাড়া, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৭, বাংলাদেশ।
 

ডাঃ এ কে এম শামসুদ্দিন

সার্জারী বিশেষজ্ঞ

এম.বি.বি.এস, বি.সি.এস (স্বাস্থ্য) এম.এস, সহকারী অধ্যাপক, পেডিয়াট্রিক জেনারেল ও ল্যাপারোস্কপিক সার্জন

লাইফ এইড স্পেশালাইজড হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার লি

৬১৩/২, বেগম রোকেয়া সরণি, কাজীপাড়া, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৭, বাংলাদেশ।

 

ডাঃ মীর রাশেখ আলম অভি

সার্জারী বিশেষজ্ঞ

এম বি বি এস (ডিএমসি), বি সি এস (স্বাস্থ), এফ.সি.পি.এস (সার্জারী), সার্জারী বিশেষজ্ঞ, মেম্বার, আমেরিকান সোসাইটি অফ কোলন এন্ড রেক্টাল সার্জনস, জেনারেল কোলরেক্টাল ও ল্যাপারস্কোপিক সার্জন, বিশেষ ট্রেনিং বৃহদন্ত্র ও পায়ুপথ সার্জারী

লাইফ এইড স্পেশালাইজড হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার লি

৬১৩/২, বেগম রোকেয়া সরণি, কাজীপাড়া, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৭, বাংলাদেশ।
 

সিরিয়ালের জন্য কল করুন ০১৭৪০-৪৮৬১২৩

 

আরো পড়ুন : ঢাকার গাইনিকোলজিষ্ট বা স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের তালিকা

 Details
মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার

ঢাকার মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের তালিকা


ঢাকার মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের তালিকা

মেডিসিন বিশেষজ্ঞ মূলত নির্দিষ্ট কোনো রোগের উপর পারদর্শী নন, তিনি সকল রোগের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে থাকেন। একজন মেডিসিন বিশেষজ্ঞ রোগীর সার্বিক দিক বিবেচনা করে তার শারীরিক অবস্থার উপর নির্ভর করে তাকে কিছু ওষুধ দিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে থাকেন এবং পরবর্তীতে তাকে নির্দিষ্ট রোগের স্পেশালিস্ট এর কাছে রেফার করেন। সোজা কথায়, একজন মেডিসিন স্পেশালিস্ট মূলত সকল রোগের চিকিৎসা দিতে পারলেও কোনো নির্দিষ্ট রোগের বিশেষজ্ঞ না।

একটি সুস্থ চিকিৎসা প্রক্রিয়া তে একজন মেডিসিন স্পেশালিস্টের ভুমিকা অন্যতম। কোনো রোগের প্রাথমিক ট্রিটমেন্টের জন্য গেলে তখন একজন মেডিসিন ডক্টর দেখানো প্রয়োজন হয় এবং সেখান থেকেই তিনি রোগীর অবস্থা নির্ণয় করে তাকে কোন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের কাছে হস্তান্তর করেন। এভাবে রোগী তার রোগের বিষয়ে অভিজ্ঞ ডাক্তারের সরনাপন্ন হতে পারেন এবং সঠিক চিকিৎসা নিতে পারেন। 

একজন মেডিসিন বিশেষজ্ঞ মূলত ওষুধের উপর পারদর্শী হয়ে থাকেন, তিনি নানা রোগের ওষুধ সম্পর্কে অবগত থাকেন।

ঢাকার মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের তালিকা নিম্নে দেয়া হলো -

ডাঃ মুহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন

মেডিসিন বিশেষজ্ঞ

মিরপুর জেনারেল হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার

বাড়ি- ১৬, রোড- ১০, রূপনগর আর/এ, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৬, বাংলাদেশ।

 

ডাঃ মুহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান

মেডিসিন বিশেষজ্ঞ

লাইফ এইড স্পেশালাইজড হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার লি

৬১৩/২, বেগম রোকেয়া সরণি, কাজীপাড়া, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৭, বাংলাদেশ।

 

অধ্যাপক ডাঃ মিজানুর রহমান

মেডিসিন বিশেষজ্ঞ

হেলথ ল্যাবস লিমিটেড

১০৪১/২এ, পূর্ব শেওড়াপাড়া, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৬, বাংলাদেশ।

 

ডাঃ মোঃ রাশিদুল হাসান

মেডিসিন বিশেষজ্ঞ

হেলথ ল্যাবস লিমিটেড

১০৪১/২এ, পূর্ব শেওড়াপাড়া, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৬, বাংলাদেশ।

 

ডাঃ ওয়াদুদ আলী খান

মেডিসিন বিশেষজ্ঞ

হেলথ ল্যাবস লিমিটেড

১০৪১/২এ, পূর্ব শেওড়াপাড়া, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৬, বাংলাদেশ।

 

ডাঃ মুহাম্মদ আতিকুর রহমান

মেডিসিন বিশেষজ্ঞ

হেলথ ল্যাবস লিমিটেড

১০৪১/২এ, পূর্ব শেওড়াপাড়া, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৬, বাংলাদেশ।

 

সিরিয়ালের জন্য কল করুন ০১৭৪০-৪৮৬১২৩

 

আরো পড়ুন : ঢাকার সার্জারী বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের তালিকা

 

 Details
গাইনিকোলজিষ্ট বা স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ

ঢাকার গাইনিকোলজিষ্ট বা স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের তালিকা


ঢাকার গাইনিকোলজিষ্ট বা স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের তালিকা

গাইনিকোলজিষ্ট বা স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ হল মহিলা প্রজনন সিস্টেমের স্বাস্থ্যের সাথে সম্পর্কিত চিকিৎসা অনুশীলন করেন এবং মহিলা এবং তাদের প্রজনন ব্যবস্থার চিকিৎসা যত্নে বিশেষজ্ঞ হন, গর্ভাবস্থা নিশ্চিত করেন, জরায়ু সংক্রমণ, উর্বরতা সমস্যা বা গর্ভনিরোধ, নলের লিগেশন এবং হিস্টেরেক্টোমির সাথে সম্পর্কিত হন।

ঢাকার স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের তালিকা নিম্নে দেয়া হলো -

ডাঃ ফারহানা ইসলাম ডলি

স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ

মিরপুর জেনারেল হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার

বাসা- ১৬, রোড - ১০, রূপনগর আর/এ, মিরপুর, ঢাকা, ১২১৬, বাংলাদেশ।

 

সহকারী অধ্যাপক ডাঃ নাজনীন চৌধুরী

স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ

মিরপুর জেনারেল হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার

বাসা- ১৬, রোড - ১০, রূপনগর আর/এ, মিরপুর, ঢাকা, ১২১৬, বাংলাদেশ।
 

ডাঃ ফারহানা রহমান

স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ

মিরপুর জেনারেল হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার

বাসা- ১৬, রোড - ১০, রূপনগর আর/এ, মিরপুর, ঢাকা, ১২১৬, বাংলাদেশ।

 

সহকারী অধ্যাপক ডাঃ রুমানা সুলতানা

স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ

মিরপুর জেনারেল হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার

কালশী শাখা, প্লট নং- ১০, রোড- ৪/৫, ব্লক-বি, সেকশন- ১২, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৬, বাংলাদেশ।

 

ডাঃ নাসরিন সুলতানা রুমী

স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ

মিরপুর জেনারেল হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার

কালশী শাখা, প্লট নং- ১০, রোড- ৪/৫, ব্লক-বি, সেকশন- ১২, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৬, বাংলাদেশ।

 

ডাঃ শারমিন আক্তার সুইটি

স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ

মিরপুর জেনারেল হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার

কালশী শাখা, প্লট নং- ১০, রোড- ৪/৫, ব্লক-বি, সেকশন- ১২, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৬, বাংলাদেশ।

 

ডাঃ ফারজানা ইসলাম বিথী

স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ

মিরপুর জেনারেল হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার

কালশী শাখা, প্লট নং- ১০, রোড- ৪/৫, ব্লক-বি, সেকশন- ১২, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৬, বাংলাদেশ।

 

ডাঃ ফাইজা মাহমুদ

স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ

মিরপুর জেনারেল হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার

কালশী শাখা, প্লট নং- ১০, রোড- ৪/৫, ব্লক-বি, সেকশন- ১২, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৬, বাংলাদেশ।

 

ডাঃ হুমাইরা হক সুরভি

স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ

লাইফ এইড স্পেশালাইজড হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার লি.

৬১৩/২, বেগম রোকেয়া সরণি, কাজিপাড়া, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৭, বাংলাদেশ।

 

ডাঃ রাহেলা খাতুন

স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ

লাইফ এইড স্পেশালাইজড হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার লি.

৬১৩/২, বেগম রোকেয়া সরণি, কাজিপাড়া, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৭, বাংলাদেশ।
 

সিরিয়ালের জন্য কল করুন: ০১৭৪০-৪৮৬১২৩

 Details