হটলাইন: 01740-486123 (10:00am - 7:00pm)
অনেক নারীর ক্ষেত্রেই পিরিয়ডের লক্ষণ ও গর্ভাবস্থার লক্ষণ প্রায় একই রকম হওয়ায় বিভ্রান্তি তৈরি হয়। বিশেষ করে মাসিকের আগের কয়েক দিন ও গর্ভধারণের শুরুর দিকের লক্ষণগুলো এতটাই কাছাকাছি যে অনেক সময় পার্থক্য বোঝা কঠিন হয়ে পড়ে। এই লেখায় সহজভাবে পিরিয়ডের লক্ষণ বনাম গর্ভাবস্থার লক্ষণ তুলে ধরা হলো, যাতে আপনি স্পষ্ট ধারণা পান।
পিরিয়ড
শুরুর
সাধারণত ৫
- ১০
দিন
আগে
শরীরে
কিছু
শারীরিক ও
মানসিক
পরিবর্তন দেখা
দেয়।
এগুলো
হরমোনজনিত কারণে
হয়ে
থাকে।
সাধারণ পিরিয়ডের লক্ষণগুলো হলোঃ
এসব লক্ষণ সাধারণত পিরিয়ড শুরু হলেই ধীরে ধীরে কমে যায় বা চলে যায়।
গর্ভধারণের পর
শরীরে
hCG হরমোন
তৈরি
হয়,
যার
ফলে
ধীরে
ধীরে
কিছু
আলাদা
ধরনের
লক্ষণ
দেখা
দেয়।
গর্ভাবস্থার প্রাথমিক লক্ষণগুলো হলোঃ
এই
লক্ষণগুলো সময়ের
সঙ্গে
ধীরে
ধীরে
বাড়তে
থাকে।
পিরিয়ডের লক্ষণ বনাম গর্ভাবস্থার লক্ষণ এর মূল পার্থক্য
|
বিষয় |
পিরিয়ডের লক্ষণ |
গর্ভাবস্থার লক্ষণ |
|
মাসিক |
শুরু হয় |
বন্ধ থাকে |
|
পেটব্যথা |
বেশি হয় |
সাধারণত কম
বা
নেই |
|
বমি বমি
ভাব |
খুব কম |
বেশি দেখা
যায় |
|
ক্লান্তি |
হালকা |
বেশি ও
দীর্ঘস্থায়ী |
|
স্তনের পরিবর্তন |
সাময়িক ব্যথা |
ফুলে যাওয়া ও
সংবেদনশীলতা |
|
লক্ষণের স্থায়িত্ব |
পিরিয়ডে শেষ
হয় |
সময়ের সাথে
বাড়ে |
সবচেয়ে
নির্ভরযোগ্য লক্ষণ
হলো
মাসিক বন্ধ হওয়া। তবে শুধুমাত্র লক্ষণের ওপর
নির্ভর
না
করেঃ
কখন ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত?
উপসংহার
পিরিয়ডের লক্ষণ বনাম গর্ভাবস্থার লক্ষণ বুঝতে হলে লক্ষণের ধরণ, স্থায়িত্ব ও মাসিকের অবস্থার দিকে নজর দেওয়া জরুরি। পিরিয়ডের লক্ষণ অল্প সময়ের জন্য থাকে এবং মাসিক শুরু হলে কমে যায়, আর গর্ভাবস্থার লক্ষণ ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে। সঠিক সিদ্ধান্তের জন্য সময়মতো পরীক্ষা ও চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ।