হটলাইন: 01740-486123 (10:00am - 7:00pm)
বড়দের কৃমি সমস্যা অনেকেই গুরুত্ব দেন না, কিন্তু এটি শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর হতে পারে। কৃমি মূলত অন্ত্রে বাস করা পরজীবী, যা খাবারের পুষ্টি শোষণ করে নেয়। ফলে শরীরে দুর্বলতা, রক্তশূন্যতা, ওজন কমে যাওয়া এবং হজমের সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই সময়মতো সঠিক কৃমির ঔষধ সেবন করা জরুরি।
এই
লেখায়
বড়দের
কৃমির
ঔষধের
নাম,
ব্যবহারের নিয়ম
ও
সতর্কতা নিয়ে
বিস্তারিত আলোচনা
করা
হলো।
বড়দের কৃমি কেন হয়?
কৃমি
সংক্রমণের প্রধান
কারণগুলো হলোঃ
কৃমি
সাধারণত গোলকৃমি, সুতাকৃমি, হুকওয়ার্ম বা
ফিতা
কৃমি
আকারে
দেখা
যায়।
বড়দের কৃমির ঔষধের নাম
কৃমির
ধরন
অনুযায়ী চিকিৎসক বিভিন্ন ধরনের
ওষুধ
দিয়ে
থাকেন।
নিচে
প্রচলিত কিছু
কৃমির
ঔষধের
নাম
দেওয়া
হলোঃ
১. অ্যালবেন্ডাজল
এটি
সবচেয়ে
বেশি
ব্যবহৃত কৃমির
ওষুধ।
সাধারণত এক
ডোজ
(৪০০
মি.গ্রা.) খেতে বলা
হয়।
কিছু
ক্ষেত্রে ৩
দিন
পর্যন্ত খেতে
হতে
পারে।
এটি
গোলকৃমি, হুকওয়ার্ম ও
ফিতা
কৃমির
বিরুদ্ধে কার্যকর।
২. মেবেন্ডাজল
এটিও
বহুল
ব্যবহৃত অ্যান্টিহেলমিন্থিক ওষুধ।
সাধারণত ১০০
মি.গ্রা দিনে দুইবার
৩
দিন
খেতে
হয়।
বিভিন্ন ধরনের
অন্ত্রের কৃমিতে
এটি
কার্যকর।
৩. আইভারমেকটিন
বিশেষ
কিছু
কৃমি
সংক্রমণে ব্যবহৃত হয়।
চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া
এটি
সেবন
করা
উচিত
নয়।
৪. লেভামিসোল
কিছু
ক্ষেত্রে গোলকৃমির জন্য
ব্যবহৃত হয়।
বর্তমানে তুলনামূলক কম
ব্যবহার হয়।
৫. প্রাজিকোয়ান্টেল
ফিতা
কৃমি
বা
বিশেষ
পরজীবী
সংক্রমণে ব্যবহৃত হয়।
কৃমির ওষুধ খাওয়ার নিয়ম
কৃমির ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
সাধারণত কৃমির
ওষুধ
নিরাপদ। তবে
কিছু
ক্ষেত্রে দেখা
দিতে
পারেঃ
যদি
গুরুতর
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা
দেয়,
দ্রুত
চিকিৎসকের সাথে
যোগাযোগ করতে
হবে।
কৃমি প্রতিরোধের উপায়
শুধু
ওষুধ
খেলে
হবে
না,
কৃমি
প্রতিরোধের জন্য
কিছু
নিয়ম
মেনে
চলা
জরুরিঃ
কখন ডাক্তার দেখাবেন?
এই
পরিস্থিতিতে দ্রুত
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া
উচিত।
উপসংহার
বড়দের
কৃমির
ঔষধের
নাম
জানার
পাশাপাশি সঠিকভাবে ওষুধ
সেবন
এবং
স্বাস্থ্যবিধি মেনে
চলা
অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অ্যালবেন্ডাজল, মেবেন্ডাজলসহ বিভিন্ন ওষুধ
কৃমি
দূর
করতে
কার্যকর হলেও
চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া
নিজে
নিজে
ওষুধ
খাওয়া
উচিত
নয়।
নিয়মিত
সচেতনতা ও
পরিচ্ছন্নতা বজায়
রাখলেই
কৃমি
সংক্রমণ থেকে
সহজেই
মুক্ত
থাকা
সম্ভব।
সুস্থ
থাকতে
নিয়মিত
স্বাস্থ্য সচেতন
থাকুন।