হটলাইন: 01740-486123 (10:00am - 7:00pm)
দাউদ (দাদ) একটি অত্যন্ত সাধারণ কিন্তু বিরক্তিকর ছত্রাকজনিত চর্মরোগ (Fungal Infection)। এটি সাধারণত গোলাকার লাল দাগ, অতিরিক্ত চুলকানি, জ্বালাপোড়া, খোসা ওঠা এবং ধীরে ধীরে শরীরের এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় ছড়িয়ে পড়ার মাধ্যমে প্রকাশ পায়। বাংলাদেশে গরম ও আর্দ্র আবহাওয়ার কারণে দাউদের সমস্যা খুবই সাধারণ।
অনেকেই
প্রশ্ন
করেনঃ
দাউদের সবচেয়ে ভালো ঔষধের নাম কী?
এর
উত্তর
এক
কথায়
বলা
যায়
না,
কারণ
দাউদের
ঔষধ
নির্ভর
করে
রোগের
তীব্রতা, আক্রান্ত জায়গা এবং কতদিন ধরে হয়েছে এই বিষয়গুলোর ওপর।
দাউদের চিকিৎসায় কী ধরনের ঔষধ ব্যবহার হয়?
দাউদের
মূল
কারণ
যেহেতু
ফাঙ্গাস, তাই
এর
চিকিৎসায় ব্যবহার হয়
অ্যান্টিফাঙ্গাল ঔষধ। এগুলো দুই
ধরনের
হতে
পারেঃ
দাউদের সবচেয়ে ভালো বাহ্যিক ঔষধ (Antifungal Cream)
প্রাথমিক ও
মাঝারি
পর্যায়ের দাউদের
ক্ষেত্রে সাধারণত মলমই যথেষ্ট কার্যকর।
চিকিৎসকেরা যে
উপাদানযুক্ত ঔষধগুলো বেশি
ব্যবহার করেন,
সেগুলো
হলোঃ
১. ক্লোট্রিমাজল (Clotrimazole)
২. কেটোকোনাজল (Ketoconazole)
৩. টার্বিনাফিন (Terbinafine)
৪. মাইকোনাজল (Miconazole)
এসব ঔষধ সাধারণত ২ - ৪ সপ্তাহ নিয়মিত ব্যবহার করতে হয়।
দাউদের সবচেয়ে ভালো খাওয়ার ঔষধ (Oral Antifungal)
যদি
দাউদঃ
তাহলে
চিকিৎসক খাওয়ার ঔষধ দিতে পারেন।
সাধারণত ব্যবহৃত উপাদানগুলো হলোঃ
এই ঔষধগুলো অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শে খেতে হবে, কারণ এগুলো লিভারের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।
স্টেরয়েডযুক্ত ঔষধ কেন বিপজ্জনক?
অনেকে
দ্রুত
আরামের
জন্য
স্টেরয়েডযুক্ত ক্রিম
ব্যবহার করেন,
কিন্তু
এটি
দাউদের
জন্য
সবচেয়ে ক্ষতিকর।
স্টেরয়েডযুক্ত ঔষধঃ
তাই দাউদের সবচেয়ে ভালো ঔষধ কখনোই স্টেরয়েডযুক্ত হওয়া উচিত নয় ডাক্তারের নির্দেশ ছাড়া।
ঔষধ ব্যবহারের সঠিক নিয়ম
ভালো
ফল
পেতে
হলেঃ
কখন অবশ্যই ডাক্তারের কাছে যাবেন?
উপসংহার
দাউদের সবচেয়ে ভালো ঔষধের নাম নির্দিষ্ট একটি
নয়
বরং
এমন
অ্যান্টিফাঙ্গাল ঔষধ,
যা
রোগের
ধরন
অনুযায়ী সঠিকভাবে ব্যবহার করা
হয়।
প্রাথমিক অবস্থায় সঠিক
মলমেই
দাউদ
সেরে
যায়,
আর
জটিল
ক্ষেত্রে খাওয়ার
ঔষধ
প্রয়োজন হয়।