হটলাইন: 01740-486123 (10:00am - 7:00pm)
ঢাকার মহাখালীতে অবস্থিত শেখ রাসেল জাতীয় গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল, যা সম্প্রতি নাম পরিবর্তন করে জাতীয় গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল হয়েছে, পরিপাকতন্ত্র, লিভার ও প্যানক্রিয়াসজনিত রোগের জন্য একটি প্রধান সরকারি চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান। এই হাসপাতালে অভিজ্ঞ ও প্রশিক্ষিত চিকিৎসকরা আধুনিক চিকিৎসা সেবা প্রদান করেন।
যদি আপনি গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি, লিভার বা প্যানক্রিয়াস সম্পর্কিত সমস্যায় আক্রান্ত হন, তবে এই হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শ নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাদের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা আপনাকে দ্রুত সুস্থ হতে সহায়তা করবে।
এই ব্লগে আমরা শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতালের কিছু শীর্ষস্থানীয় ডাক্তারদের পরিচয় তুলে ধরব, যাতে আপনি সহজেই তাদের সম্পর্কে জানতে পারেন এবং প্রয়োজনে তাদের পরামর্শ নিতে পারেন।

গ্যাস্ট্রোলিভার বিশেষজ্ঞ
এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এমডি (গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি), বিএসএমএমইউ গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি বিভাগ শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল, মহাখালী, ঢাকা।
সিরিয়ালের জন্য কল করুন - ০১৭৪০-৪৮৬১২৩ (সকাল ১০:০০ টা হতে সন্ধ্যা ০৭:০০ টা, শুক্রবার ব্যাতিত)
.jpg)
গ্যাস্ট্রোলিভার বিশেষজ্ঞ
এমবিবিএস, এমতি (গ্যাটো এপটোরোলজী) পরিপাকতন্ত্র, লিভার রোগ ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ শেখ রাসেল জাতীয় গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল, ঢাকা।
সিরিয়ালের জন্য কল করুন - ০১৭৪০-৪৮৬১২৩ (সকাল ১০:০০ টা হতে সন্ধ্যা ০৭:০০ টা, শুক্রবার ব্যাতিত)
.jpg)
গ্যাস্ট্রোলিভার বিশেষজ্ঞ
এমবিবিএস (ডিএমসি), বিসিএস (স্বাস্থ্য) এমডি (গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি) আবাসিক চিকিত্সক এবং গ্যাস্ট্রোলিভার বিশেষজ্ঞ শেখ রাসেল জাতীয় গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল।
সিরিয়ালের জন্য কল করুন - ০১৭৪০-৪৮৬১২৩ (সকাল ১০:০০ টা হতে সন্ধ্যা ০৭:০০ টা, শুক্রবার ব্যাতিত)
.jpg)
গ্যাস্ট্রোলিভার বিশেষজ্ঞ
এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য) এমএস, সহযোগী অধ্যাপক, শেখ রাসেল জাতীয় গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল। পিত্তথলির পাথর, অ্যাপেন্ডিক্স, হার্নিয়া, পাইলস, ফিস্টুলা, টিউমার সার্জারি বিশেষজ্ঞ।
সিরিয়ালের জন্য কল করুন - ০১৭৪০-৪৮৬১২৩ (সকাল ১০:০০ টা হতে সন্ধ্যা ০৭:০০ টা, শুক্রবার ব্যাতিত)
গ্যাস্ট্রোলিভার বিশেষজ্ঞ হলেন চিকিৎসাবিজ্ঞানের সেই শাখার বিশেষজ্ঞ, যাঁরা পাকস্থলী, অন্ত্র, লিভার, পিত্তথলি এবং অন্ত্রের অন্যান্য অংশের রোগ নির্ণয়, চিকিৎসা ও পরিচালনা করেন। গ্যাস্ট্রোলিভারি রোগ যেমন গ্যাস্ট্রাইটিস, আলসার, হেপাটাইটিস, লিভার সিরোসিস, গল ব্লাডার স্টোন, পাকস্থলীর ক্যান্সার ইত্যাদি তাদের নিয়ন্ত্রণে আসে।
গ্যাস্ট্রিক আলসার ও গ্যাস্ট্রাইটিস
লিভার সংক্রমণ (হেপাটাইটিস B, C)
লিভার সিরোসিস ও ফ্যাটি লিভার
পাকস্থলীর ক্যান্সার ও অন্যান্য টিউমার
গলব্লাডার স্টোন ও পিত্তথলির সমস্যা
প্যানক্রিয়াটাইটিস
ডায়রিয়া, কোষ্টকাঠিন্য ও পাচনতন্ত্রের অন্যান্য সমস্যা
অ্যাসিডিটি ও রিফ্লাক্স রোগ (GERD)
IBD (Inflammatory Bowel Disease) ও IBS (Irritable Bowel Syndrome)
জন্ডিস ও লিভারের অন্যান্য সমস্যা
পেট ব্যথা, জ্বালা বা অস্বস্তি
বমি বা বমিভাব
ক্ষুধা কমে যাওয়া ও ওজন কমা
পেট ফুলে যাওয়া
পেটে গ্যাস বা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা
চোখ ও ত্বকের পিঁপড়া পড়া (জন্ডিস)
ঘন ঘন ডায়রিয়া বা কোষ্টকাঠিন্য
গলব্লাডার বা লিভারের অংশে অসুখ অনুভূতি
পায়খানা বা প্রস্রাবের রঙের পরিবর্তন
দীর্ঘদিন ধরে এসিডিটি বা পেটের সমস্যায় কষ্ট হলে
জন্ডিসের লক্ষণ দেখা দিলে
বমি, ডায়রিয়া বা রক্তমিশ্রিত পায়খানা হলে
গলব্লাডারে পাথর সন্দেহ হলে
লিভারের রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার প্রয়োজন হলে
পেটের যেকোনো স্থানে দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা থাকলে
এমবিবিএস ডিগ্রি সম্পন্ন
পরবর্তী গ্যাস্ট্রোলিভারি ও হেপাটোলজিতে এমডি, এমসিপিএস, বা এফসিপিএস
বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ ও অভিজ্ঞতা
প্রশ্ন ১: গ্যাস্ট্রোলিভার বিশেষজ্ঞ কবে দেখানো উচিত?
উত্তর: দীর্ঘদিন ধরে পাকস্থলী বা লিভারের সমস্যা, এসিডিটি, জন্ডিস, পেট ব্যথা থাকলে অবিলম্বে গ্যাস্ট্রোলিভার বিশেষজ্ঞের কাছে যেতে হবে।
প্রশ্ন ২: গ্যাস্ট্রোলিভার বিশেষজ্ঞ কি সাধারণ ডাক্তার থেকে আলাদা?
উত্তর: হ্যাঁ, গ্যাস্ট্রোলিভার বিশেষজ্ঞ বিশেষভাবে পাকস্থলী ও লিভারের রোগে প্রশিক্ষিত। সাধারণ চিকিৎসক যেকোনো রোগ দেখলেও, জটিল ও দীর্ঘস্থায়ী গ্যাস্ট্রোলিভারি সমস্যায় তাদের কাছে যাওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।
প্রশ্ন ৩: লিভার সিরোসিস কি পুরোপুরি সেরে যায়?
উত্তর: লিভার সিরোসিস সাধারণত সম্পূর্ণ সেরে না গেলেও আধুনিক চিকিৎসায় এর প্রগতিকে নিয়ন্ত্রণে রাখা যায় এবং রোগীর জীবনযাত্রার মান উন্নত করা সম্ভব।
প্রশ্ন ৪: গলব্লাডার পাথর হলে কি সার্জারি ছাড়া ঠিক হয়?
উত্তর: ছোট পাথর ও কিছু ক্ষেত্রে জীবনযাত্রার পরিবর্তন ও ঔষধে উপশম পাওয়া যায়, তবে বড় পাথর ও জটিলতায় সার্জারি প্রয়োজন হতে পারে।
প্রশ্ন ৫: গ্যাস্ট্রোলিভারি রোগের জন্য কী ধরনের পরীক্ষা করা হয়?
উত্তর: রক্ত পরীক্ষা, আল্ট্রাসাউন্ড, ইন্ডোস্কোপি, কলোনোস্কোপি, লিভার ফাংশন টেস্ট, CT Scan বা MRI প্রয়োজন অনুযায়ী করা হতে পারে।
উপসংহার
গ্যাস্ট্রোলিভার রোগ শুরুর দিকে উপেক্ষা করলে তা শরীরের অন্যান্য অংশেও জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে। তাই পাকস্থলী, লিভার বা গলব্লাডারের কোনো সমস্যা দেখা দিলে দ্রুত গ্যাস্ট্রোলিভার বিশেষজ্ঞ-এর পরামর্শ নিতে ভুলবেন না। সময়মতো চিকিৎসা নেওয়াই সুস্থতার প্রথম ধাপ।